ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কলকাতা দশম তম বসন্ত উৎসব ২০২৩ অনুষ্ঠিত হলো কলকাতা ময়দান মাঠে

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩
  • / 489

স্টাফ রিপোর্টার শম্পা দাস ও সমরেশ রায় কলকাতা:

পাঁচই মার্চ সকাল ১১ টা থেকে, অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল টেকনিশিয়ান আর্টিস্ট এন্ড ওয়ার্কার্স এর পরিচালনায় এবং জয়ন্ত দাস গুপ্ত ও রুমা দাশগুপ্তের উদ্যোগে, প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও অভিনব বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিলেন। যা সকল উদ্যোক্তা, বসন্ত উৎসব অনুরাগী, নৃত্যশিল্পী, ফটোগ্রাফার ,আটিস্ট থেকে মেকআপ আর্টিস্টদের মন জয় করে নিলেন। এই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ও কলকাতা কর্পোরেশনের এম এমআইসি দেবাশীষ কুমার এবং কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র মহাশয়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বসাক ইন্টেরিয়র এর কর্ণধার সঞ্জীব বসাক, ডক্টর পার্থ সারথী অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা। যাদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা ছাড়া কখনোই এত বড় অনুষ্ঠান করা সম্ভব নয় বারবার সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন উদ্যোক্তা জয়ন্ত দাসগুপ্ত এবং যিনি সবার আগে প্রেরণা যোগান যেকোনো অনুষ্ঠানে তিনি হচ্ছেন জয়ন্ত দাশগুপ্তর মা। তিনি আরও জানান আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের যে সকল সদস্যরা রয়েছেন ,তাদেরকে আমি অশেষ ধন্যবাদ জানাবো। কয়েকদিন যাবৎ তারা যেভাবে দিন রাত আমার পাশে রয়েছেন এবং আমাকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন , তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আমাকে এই এত বড় অনুষ্ঠান করার সুযোগ করে দিয়েছে। এর সাথে সাথে ধন্যবাদ জানাবো প্রশাসনের সকল অফিসারদের, কেএম সি কে। আজ সকাল থেকেই মেতে উঠেছে কলকাতা ময়দান আবিরের রঙে ,নৃত্যে ও র‍্যাম্প শো তে। বসন্ত মানেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ কে মনে করিয়ে দেয়, একে অপরকে আবির মাখানোর মধ্য দিয়ে এবং রবীন্দ্রনাথের নাচে ও গানে। বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় দেড় থেকে দু হাজার অংশগ্রহণকারী এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন এবং মঞ্চে প্রত্যেকের হাতে সংস্থার কর্ণধার সার্টিফিকেট তুলে দেন। সবার মুখেই একটি কথাই জেডি আর জে ডি ,আমাদের জেডিদা আমাদের সবকিছুতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ দেখান, আমাদেরকে প্রেরণা যোগান।এর সাথে সাথে মাননীয় বিধায়ক যাহারা উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক দেবাশীষ কুমার ও মাননীয় মদন মিত্র মহাশয় তিনি বলেন ,সত্যি কলকাতায় অনুষ্ঠান হয় ,কিন্তু এই ধরনের অনুষ্ঠান হয় না, আমরা বিগত কয়েক বছর ধরে দেখছি যে, জয়ন্ত দাশগুপ্ত যেভাবে সকল ছেলেমেয়েদের নিয়ে অনুষ্ঠান করে চলেছেন, আমরা ধন্যবাদ জানাই তাকে। যিনি এই সকল নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের প্রেরণা জোগাচ্ছেন। আমরা ওনার পাশে আছি এবং যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের কাছে গেলে আমরা নিশ্চয়ই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব ,এই আশ্বাস রইলো। আরো এগিয়ে যাক ছেলে মেয়েদের নিয়ে এবং উৎসাহ দিক এটাই কামনা করি। সংস্থার কর্ণধার সকল অতিথিদের উত্তরণ দিয়ে বরণ করে নেন এবং তাদেরকে সামান্য উপহার তুলে দেন। সকাল থেকেই মাঠে ব্যস্ততা দেখা যায় মেকআপ আর্টিস্টদের তাদের তাদের ছেলেমেয়েদের সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য।

ট্যাগস :

কলকাতা দশম তম বসন্ত উৎসব ২০২৩ অনুষ্ঠিত হলো কলকাতা ময়দান মাঠে

আপডেট সময় : ০৮:০১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার শম্পা দাস ও সমরেশ রায় কলকাতা:

পাঁচই মার্চ সকাল ১১ টা থেকে, অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল টেকনিশিয়ান আর্টিস্ট এন্ড ওয়ার্কার্স এর পরিচালনায় এবং জয়ন্ত দাস গুপ্ত ও রুমা দাশগুপ্তের উদ্যোগে, প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও অভিনব বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছিলেন। যা সকল উদ্যোক্তা, বসন্ত উৎসব অনুরাগী, নৃত্যশিল্পী, ফটোগ্রাফার ,আটিস্ট থেকে মেকআপ আর্টিস্টদের মন জয় করে নিলেন। এই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ও কলকাতা কর্পোরেশনের এম এমআইসি দেবাশীষ কুমার এবং কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র মহাশয়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বসাক ইন্টেরিয়র এর কর্ণধার সঞ্জীব বসাক, ডক্টর পার্থ সারথী অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা। যাদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা ছাড়া কখনোই এত বড় অনুষ্ঠান করা সম্ভব নয় বারবার সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন উদ্যোক্তা জয়ন্ত দাসগুপ্ত এবং যিনি সবার আগে প্রেরণা যোগান যেকোনো অনুষ্ঠানে তিনি হচ্ছেন জয়ন্ত দাশগুপ্তর মা। তিনি আরও জানান আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের যে সকল সদস্যরা রয়েছেন ,তাদেরকে আমি অশেষ ধন্যবাদ জানাবো। কয়েকদিন যাবৎ তারা যেভাবে দিন রাত আমার পাশে রয়েছেন এবং আমাকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন , তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আমাকে এই এত বড় অনুষ্ঠান করার সুযোগ করে দিয়েছে। এর সাথে সাথে ধন্যবাদ জানাবো প্রশাসনের সকল অফিসারদের, কেএম সি কে। আজ সকাল থেকেই মেতে উঠেছে কলকাতা ময়দান আবিরের রঙে ,নৃত্যে ও র‍্যাম্প শো তে। বসন্ত মানেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ কে মনে করিয়ে দেয়, একে অপরকে আবির মাখানোর মধ্য দিয়ে এবং রবীন্দ্রনাথের নাচে ও গানে। বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় দেড় থেকে দু হাজার অংশগ্রহণকারী এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন এবং মঞ্চে প্রত্যেকের হাতে সংস্থার কর্ণধার সার্টিফিকেট তুলে দেন। সবার মুখেই একটি কথাই জেডি আর জে ডি ,আমাদের জেডিদা আমাদের সবকিছুতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ দেখান, আমাদেরকে প্রেরণা যোগান।এর সাথে সাথে মাননীয় বিধায়ক যাহারা উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক দেবাশীষ কুমার ও মাননীয় মদন মিত্র মহাশয় তিনি বলেন ,সত্যি কলকাতায় অনুষ্ঠান হয় ,কিন্তু এই ধরনের অনুষ্ঠান হয় না, আমরা বিগত কয়েক বছর ধরে দেখছি যে, জয়ন্ত দাশগুপ্ত যেভাবে সকল ছেলেমেয়েদের নিয়ে অনুষ্ঠান করে চলেছেন, আমরা ধন্যবাদ জানাই তাকে। যিনি এই সকল নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের প্রেরণা জোগাচ্ছেন। আমরা ওনার পাশে আছি এবং যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের কাছে গেলে আমরা নিশ্চয়ই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব ,এই আশ্বাস রইলো। আরো এগিয়ে যাক ছেলে মেয়েদের নিয়ে এবং উৎসাহ দিক এটাই কামনা করি। সংস্থার কর্ণধার সকল অতিথিদের উত্তরণ দিয়ে বরণ করে নেন এবং তাদেরকে সামান্য উপহার তুলে দেন। সকাল থেকেই মাঠে ব্যস্ততা দেখা যায় মেকআপ আর্টিস্টদের তাদের তাদের ছেলেমেয়েদের সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য।