ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাঁচামরিচ ৮০০ আদা ৪০০ টাকা কেজি!

গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ জুলাই ২০২৩
  • / 518

সিলেটের গোলাপগঞ্জে কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা দরে। আর আদার দাম ৪০০ টাকা। বৃহস্পতিবার বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে কাঁচামরিচ। শুক্রবার বাজার ছিল কাঁচামরিচ শূন্য।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ, পৌর শহরের প্রদান বাজার, ভাদেশ্বর, হেতিমগঞ্জ, লক্ষণাবন্দ, লক্ষীপাশাসহ উপজেলার চোট বড় সবকটি বাজারে পণ্যদ্রব্যের দাম ২ থেকে ৩ গুণ বেড়ে গেছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা দরে। আর আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা! গত সপ্তাহে কাঁচামরিচ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ও আদা ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হয়।

এছাড়া টমেটো ৮০-৯০ টাকা ঢেঁড়স ৬০ টাকা, আলু ৪০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, বরবটি প্রতি আটি ৮০ টাকা লতি প্রতি আটি ৫০-৬০ টাকা মুখি ৭০-৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার রাতে পৌর শহরের প্রধান কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গোটা বাজার থেকে কাঁচামরিচ উধাও গেছে। বাজারে থাকা ছট বড় প্রায় সাড়ে ৩শ দোকানের মধ্যে একটিতেও কাঁচামরিচ ছিল না।

বাজারে কাঁচামরিচ নেই কেন জানতে চাইলে গোলাপগঞ্জ পৌর শহরের কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী জাকারিয়া শাহনাজ জানান, বাজারে কাঁচামরিচে অগ্নিমূল্য। তাই এতো দাম দিয়ে আমরা মরিচ আনি নাই।
আরেক ব্যবসায়ী মিনহাজ উদ্দিন বলেন, বাজারে সবধরনের পণ্য আছে শুধু কাঁচামরিচ নেই। কাঁচামরিচের কেজি এখন ৮০০ টাকা হওয়ায় কেউ আনতে চায় না।

ট্যাগস :

কাঁচামরিচ ৮০০ আদা ৪০০ টাকা কেজি!

আপডেট সময় : ১২:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ জুলাই ২০২৩

সিলেটের গোলাপগঞ্জে কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা দরে। আর আদার দাম ৪০০ টাকা। বৃহস্পতিবার বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে কাঁচামরিচ। শুক্রবার বাজার ছিল কাঁচামরিচ শূন্য।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ, পৌর শহরের প্রদান বাজার, ভাদেশ্বর, হেতিমগঞ্জ, লক্ষণাবন্দ, লক্ষীপাশাসহ উপজেলার চোট বড় সবকটি বাজারে পণ্যদ্রব্যের দাম ২ থেকে ৩ গুণ বেড়ে গেছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা দরে। আর আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা! গত সপ্তাহে কাঁচামরিচ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ও আদা ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হয়।

এছাড়া টমেটো ৮০-৯০ টাকা ঢেঁড়স ৬০ টাকা, আলু ৪০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, বরবটি প্রতি আটি ৮০ টাকা লতি প্রতি আটি ৫০-৬০ টাকা মুখি ৭০-৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার রাতে পৌর শহরের প্রধান কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গোটা বাজার থেকে কাঁচামরিচ উধাও গেছে। বাজারে থাকা ছট বড় প্রায় সাড়ে ৩শ দোকানের মধ্যে একটিতেও কাঁচামরিচ ছিল না।

বাজারে কাঁচামরিচ নেই কেন জানতে চাইলে গোলাপগঞ্জ পৌর শহরের কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী জাকারিয়া শাহনাজ জানান, বাজারে কাঁচামরিচে অগ্নিমূল্য। তাই এতো দাম দিয়ে আমরা মরিচ আনি নাই।
আরেক ব্যবসায়ী মিনহাজ উদ্দিন বলেন, বাজারে সবধরনের পণ্য আছে শুধু কাঁচামরিচ নেই। কাঁচামরিচের কেজি এখন ৮০০ টাকা হওয়ায় কেউ আনতে চায় না।