তারেক-জোবায়দাকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
- আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩
- / 188
অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ৬ই ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। দুদকের কোর্ট পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, তাদের সম্পত্তি ক্রোক সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করে। স্থায়ী ঠিকানায় কোনো সম্পত্তি পায়নি মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এর আগে গত বছরের ১লা নভেম্বর একই আদালত তাদের বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিট গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর একই আদালত ৫ই জানুয়ারি তাদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন।
এর আগে গত ১লা নভেম্বর তারেক রহমান ও জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান। একই আদালত গত ৫ই জানুয়ারি তাদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন। বিচারক ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ১৯শে জানুয়ারির মধ্যে সম্পত্তি ক্রোক করার অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
গত বছরের ২৬শে জুন হাইকোর্ট তারেক ও জোবায়দাকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করেন এবং দুর্নীতির মামলাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে দেন। এই দম্পতি ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে অবস্থান করছেন।
হাইকোর্ট ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দায়ের করা মামলার স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করে নেন এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিচারের কার্যক্রম শেষ করতে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেন।
আদেশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমকে মামলার নথি ঢাকার সিনিয়র মেট্রোপলিটন দায়রা জজ আদালতে পাঠাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া, তারেকের শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে।
২০০৭ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর কাফরুল থানায় তারেক, তার স্ত্রী জোবায়দা ও জোবায়দার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলাটি করে দুদক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৯ সালের ৩১শে মার্চ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এর আগে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় তারেকের। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাসহ আরও ২টি মামলায় তাকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।























