পুলিশি তল্লাশির কারণে গাবতলী সেতুতে যানজট
- আপডেট সময় : ০৬:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৩
- / 172
সাভার, আশুলিয়া, ধামরাই, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার প্রবেশের পথ গাবতলী-আমিনবাজার সেতু। শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) সকালেই সেই সেতুর দুই প্রান্তেই বসানো হয়েছে পুলিশের তল্লাশি চৌকি। আর পুলিশি তল্লাশির কারণে সেতুর গাড়ি চলাচলে ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিন বিকেলেও তল্লাশি দেখা গেছে গাবতলী সেতু এলাকায়। তল্লাশির পরেই রাজধানীতে ঢুকতে পারছেন সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, তল্লাশির কারণে পুরো সেতুতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গাবতলী থেকে চলমান গাড়ির দীর্ঘ সারি পৌঁছেছে বলিয়াপুর পর্যন্ত। গাবতলী পর্বত সিনেমা হল প্রান্তে অন্তত ২০ জন পুলিশ সদস্য তল্লাশির দায়িত্বে আছে।
বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত এক ঘণ্টায় পুলিশি তল্লাশির চিত্রে দেখা গেছে, ঢাকামুখী দূরপাল্লা ও স্বল্পপাল্লার বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কারে পুলিশের নজর বেশি। এছাড়া মোটরসাইকেল যোগে রাজধানীতে যারা প্রবেশ করছেন, তাদেরও তল্লাশি করা হচ্ছে। ঢাকায় প্রবেশের কারণ জানতে চাচ্ছে ও পরিচয়পত্র দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে তার ব্যাগ ও মোবাইল তল্লাশি করছেন পুলিশ সদস্যরা।
এদিকে সেতু যানজট থাকায় এবং তল্লাশি হওয়ার কারণে পায়ে হেঁটে সেতু পারাপার হতে দেখা গেছে অনেক মানুষকে। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার গলার বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ঝুলিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে একজনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে চলে যান।
এদিকে তল্লাশি চৌকি থেকে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ঢাকার প্রবেশ মুখে চলা তল্লাশি আমাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। আলাদা করে কোনো চেক পোস্ট নেই।
আগামীকালকের (শনিবার) আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকা শহরের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন, যত স্থরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন ডিএমপির পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে।
ঢাকামুখী বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের বিষয়ে বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, মামলা ছাড়া কেউকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। তবে আমাদের কাছে যদি তথ্য থাকে কোনো ব্যক্তি নাশতার সঙ্গে জড়িত তখন তাকে গ্রেফতার করা হয়। অথবা কোনো ঘটনার তদন্তে নাম আসে তখন তাকে গ্রেফতার করা হয়। কাজেই তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য, মামলার আসামি, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছাড়া কেউরে গ্রেফতার ধরা হচ্ছে না।


















