ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফতুল্লায় চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩
  • / 431

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ছবি- সংগৃহীত

ফতুল্লায় একটি বাসায় চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণে একই পরিবারের শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছে। তারা হলেন- রিকশাচালক সালাম মণ্ডল (৫৫), তার স্ত্রী গার্মেন্টস কর্মী বুলবুলি বেগম (৪৫), ছেলে মো: টুটুল (২৫), মেয়ে সনিয়া আক্তার (২২) ও নাতনী মোহেজাবিন (৭)।
গত শুক্রবার ভোররাতে কাশীপুর ইউনিয়নের সরদারবাড়ি এলাকায় সেলিনা বেগমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন মো: তরিকুল ইসলাম জানান, নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা রিকশাচালক সালাম মণ্ডলের শরীরের ৭০ শতাংশ, তার স্ত্রী গার্মেন্টস কর্মী বুলবুলি বেগমের ২৫ শতাংশ দগ্ধ, ছেলে মো: টুটুলের ৬০ শতাংশ, মেয়ে সনিয়া আক্তারের ৪২ শতাংশ ও নাতনী শিশু মোহেজাবিনে ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা সোহাগ জানান, সকালের দিকে হঠাৎ বিকট শব্দ ও আগুন আগুন বলে চিৎকার শুনতে পান আশপাশের লোকজন। তারা দৌড়ে গিয়ে দেখেন ওই বাসার সবার শরীরে আগুন। পরে আগুন নিভিয়ে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

বাড়ির মালিক সেলিনা বেগম জানান, সকালে বিকট শব্দ পেয়ে দৌড়ে গিয়ে দেখেন আগুনে দগ্ধ হয়েছেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে রাতে ঘুমানোর আগে মশার কয়েল জ্বালিয়ে চার্জার ফ্যানের সাথে রেখে ঘুমিয়ে পড়ছিলেন তারা। সেখান থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে দগ্ধ হয়েছেন তারা। তাদের আমরা শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। এখন চিকিৎসাধীন আছে।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: মোহসীন জানান, একইঘরে ঘুমাচ্ছিলেন পরিবারের পাঁচ সদস্য। রাতে চার্জার ফ্যান বৈদ্যুতিক সংযোগের সাথে চার্জ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাপে চার্জার ফ্যানে বিস্ফোরণ হয় এবং আগুন ধরে যায়। সেখান থেকে বিছানায় আগুন ধরে গেলে পাঁচজন দগ্ধ হন।

ট্যাগস :

ফতুল্লায় চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ

আপডেট সময় : ০১:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩

ফতুল্লায় একটি বাসায় চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণে একই পরিবারের শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছে। তারা হলেন- রিকশাচালক সালাম মণ্ডল (৫৫), তার স্ত্রী গার্মেন্টস কর্মী বুলবুলি বেগম (৪৫), ছেলে মো: টুটুল (২৫), মেয়ে সনিয়া আক্তার (২২) ও নাতনী মোহেজাবিন (৭)।
গত শুক্রবার ভোররাতে কাশীপুর ইউনিয়নের সরদারবাড়ি এলাকায় সেলিনা বেগমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন মো: তরিকুল ইসলাম জানান, নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা রিকশাচালক সালাম মণ্ডলের শরীরের ৭০ শতাংশ, তার স্ত্রী গার্মেন্টস কর্মী বুলবুলি বেগমের ২৫ শতাংশ দগ্ধ, ছেলে মো: টুটুলের ৬০ শতাংশ, মেয়ে সনিয়া আক্তারের ৪২ শতাংশ ও নাতনী শিশু মোহেজাবিনে ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা সোহাগ জানান, সকালের দিকে হঠাৎ বিকট শব্দ ও আগুন আগুন বলে চিৎকার শুনতে পান আশপাশের লোকজন। তারা দৌড়ে গিয়ে দেখেন ওই বাসার সবার শরীরে আগুন। পরে আগুন নিভিয়ে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

বাড়ির মালিক সেলিনা বেগম জানান, সকালে বিকট শব্দ পেয়ে দৌড়ে গিয়ে দেখেন আগুনে দগ্ধ হয়েছেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে রাতে ঘুমানোর আগে মশার কয়েল জ্বালিয়ে চার্জার ফ্যানের সাথে রেখে ঘুমিয়ে পড়ছিলেন তারা। সেখান থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে দগ্ধ হয়েছেন তারা। তাদের আমরা শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। এখন চিকিৎসাধীন আছে।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: মোহসীন জানান, একইঘরে ঘুমাচ্ছিলেন পরিবারের পাঁচ সদস্য। রাতে চার্জার ফ্যান বৈদ্যুতিক সংযোগের সাথে চার্জ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাপে চার্জার ফ্যানে বিস্ফোরণ হয় এবং আগুন ধরে যায়। সেখান থেকে বিছানায় আগুন ধরে গেলে পাঁচজন দগ্ধ হন।