ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসাছাত্রীকে নিয়ে পালালো ফুসকাওয়ালা, তারপর.

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২২
  • / 356

ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে নিয়ে ফুসকা বিক্রেতা পালিয়ে যাওয়ার ১৯দিন পর তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে পরিবারের লোকজনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্রী বাবা বাদি হয়ে আমিন গাইন সহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর নাম শান্তনা। সে কুসুম্বা ইউনিয়নের কুসুম্বা গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে এবং কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানা গেছে। অপরদিকে আটককৃত বখাটে যুবক আমিন গাইন লেবু (২০) কে রোববার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, আমিন গাইন লেবু (২০) কুসুম্বা গ্রামের মফিজ গাইনের ছেলে এবং পেশায় একজন ফুসকা বিক্রেতা। সে ওই মাদ্রাসার সামনে অস্থায়ীভাবে নির্মিত দোকানে বেশকিছুদিন ধরে ফুসকা বিক্রি করতো। এরই এক পর্যায়ে তাদের উভয়ের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তারা দু’জনে তাদের পরিবারের কাওকে না জানিয়ে ১৯ দিন আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরপর তাদের খুঁজে না পাওয়ায় এবং ছেলের পরিবারের অবস্থা ভালো না হওয়ায় অপহরণের মামলা দায়ের করেন ওই মাদ্রসা ছাত্রীর বাবা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর স্থানীয় একটি মাদ্রাসার সামনে থেকে আমিন গাইনসহ তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদি হয়ে আমিন গাইনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে গত শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে গোদাগাড়ী উপজেলার ভাটোপাড়া এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধারসহ মামলার প্রধান আসামি আমিন গাইনকে আটক করা হয়। এরপর রোববার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ট্যাগস :

মাদ্রাসাছাত্রীকে নিয়ে পালালো ফুসকাওয়ালা, তারপর.

আপডেট সময় : ০৬:২০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২২

নওগাঁর মান্দায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে নিয়ে ফুসকা বিক্রেতা পালিয়ে যাওয়ার ১৯দিন পর তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে পরিবারের লোকজনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্রী বাবা বাদি হয়ে আমিন গাইন সহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর নাম শান্তনা। সে কুসুম্বা ইউনিয়নের কুসুম্বা গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে এবং কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানা গেছে। অপরদিকে আটককৃত বখাটে যুবক আমিন গাইন লেবু (২০) কে রোববার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, আমিন গাইন লেবু (২০) কুসুম্বা গ্রামের মফিজ গাইনের ছেলে এবং পেশায় একজন ফুসকা বিক্রেতা। সে ওই মাদ্রাসার সামনে অস্থায়ীভাবে নির্মিত দোকানে বেশকিছুদিন ধরে ফুসকা বিক্রি করতো। এরই এক পর্যায়ে তাদের উভয়ের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তারা দু’জনে তাদের পরিবারের কাওকে না জানিয়ে ১৯ দিন আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরপর তাদের খুঁজে না পাওয়ায় এবং ছেলের পরিবারের অবস্থা ভালো না হওয়ায় অপহরণের মামলা দায়ের করেন ওই মাদ্রসা ছাত্রীর বাবা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর স্থানীয় একটি মাদ্রাসার সামনে থেকে আমিন গাইনসহ তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদি হয়ে আমিন গাইনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে গত শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে গোদাগাড়ী উপজেলার ভাটোপাড়া এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধারসহ মামলার প্রধান আসামি আমিন গাইনকে আটক করা হয়। এরপর রোববার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।