ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শোবার ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

সাব্বির মাহমুদ নীলফামারী
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩
  • / 164

নীলফামারীর জলঢাকায় শোবার ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ির শোবার ঘর থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বিষয়টি জানিয়েছেন।

নিহতরা হলেন— বিপুল চন্দ্র রায় (২৭) ও তার স্ত্রী বৃষ্টি রানী রায় (২০)। বিপুল ওই এলাকার নারায়ণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি কৃষিকাজ করতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে পাশের কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা মেলাবর এলাকার বিকাশ চন্দ্র রায়ের মেয়ে বৃষ্টি রানীর সঙ্গে বিয়ে হয় বিপুলের। গত কয়েক দিন ধরে বিপুল ও বৃষ্টির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বুধবার দুপুরে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন তারা। বিকেল পর্যন্ত তাদের ঘর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্ধ্যায় প্রতিবেশীরা ঘরের জানালা দিয়ে দেখতে পান বিপুল ঘরের চালার বাঁশের সঙ্গে ঝুলছে ও বৃষ্টি রানী বিছানায় পড়ে আছেন। পরে খবর দেওয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওসি মুক্তারুল আলম বলেন, একই ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যে ঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছিল, সেটি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করা ছিল। আজ সকালে মরদেহদুটি ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্ততি চলছে।

ট্যাগস :

শোবার ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩

নীলফামারীর জলঢাকায় শোবার ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ির শোবার ঘর থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বিষয়টি জানিয়েছেন।

নিহতরা হলেন— বিপুল চন্দ্র রায় (২৭) ও তার স্ত্রী বৃষ্টি রানী রায় (২০)। বিপুল ওই এলাকার নারায়ণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি কৃষিকাজ করতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে পাশের কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা মেলাবর এলাকার বিকাশ চন্দ্র রায়ের মেয়ে বৃষ্টি রানীর সঙ্গে বিয়ে হয় বিপুলের। গত কয়েক দিন ধরে বিপুল ও বৃষ্টির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বুধবার দুপুরে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন তারা। বিকেল পর্যন্ত তাদের ঘর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্ধ্যায় প্রতিবেশীরা ঘরের জানালা দিয়ে দেখতে পান বিপুল ঘরের চালার বাঁশের সঙ্গে ঝুলছে ও বৃষ্টি রানী বিছানায় পড়ে আছেন। পরে খবর দেওয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওসি মুক্তারুল আলম বলেন, একই ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যে ঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছিল, সেটি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করা ছিল। আজ সকালে মরদেহদুটি ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্ততি চলছে।