ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হামুনের প্রভাবে কক্সবাজারে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, উপড়ে গেছে গাছপালা

জেলা প্রতিনিধি , কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
  • / 204

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হামুন আঘাত হানতে শুরু করেছে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায়।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র বেগে ঝড়ো বাতাস বইছে। ঝড়ো বাতাসে ইতোমধ্যে অনেক ঘরবাড়ি, গাছপালা উপড়ে গেছে। ঝড়ো বাতাসের কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ঝড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বাইরে বেরোতে পারছেন না বাসিন্দারা।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুন কক্সবাজারে আঘাত হানতে শুরু করেছে। সাতটার পর থেকে কক্সবাজারে প্রচণ্ড বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে। দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা, বাড়িঘর ও স্থাপনা ভেঙে যাওয়ার খবর এসেছে।

এছাড়া মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা, কুতুবদিয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নসহ উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হামুনের প্রভাবে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে আবহাওয়া দফতর থেকে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান জানিয়েছেন, জেলার ৯টি উপজেলায় ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান নিয়েছেন।

ট্যাগস :

হামুনের প্রভাবে কক্সবাজারে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, উপড়ে গেছে গাছপালা

আপডেট সময় : ১০:২৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হামুন আঘাত হানতে শুরু করেছে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায়।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র বেগে ঝড়ো বাতাস বইছে। ঝড়ো বাতাসে ইতোমধ্যে অনেক ঘরবাড়ি, গাছপালা উপড়ে গেছে। ঝড়ো বাতাসের কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ঝড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বাইরে বেরোতে পারছেন না বাসিন্দারা।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুন কক্সবাজারে আঘাত হানতে শুরু করেছে। সাতটার পর থেকে কক্সবাজারে প্রচণ্ড বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে। দমকা হাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা, বাড়িঘর ও স্থাপনা ভেঙে যাওয়ার খবর এসেছে।

এছাড়া মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা, কুতুবদিয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নসহ উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হামুনের প্রভাবে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে আবহাওয়া দফতর থেকে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান জানিয়েছেন, জেলার ৯টি উপজেলায় ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান নিয়েছেন।