ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রয়োদশ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 225

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ (জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য) এর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

সিইসি নাসির উদ্দিন জানান, আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে এই ভোট উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এদিন ৩০০ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দেশব্যাপী গণভোট হবে।

নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি:

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করেছেন:

কার্যক্রম সময়সীমা
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা ১২ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি
মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ১১ জানুয়ারি
আপিল নিষ্পত্তি ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি
চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি
নির্বাচনি গণসংযোগ ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত)
ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি

প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য মোট ১৮ দিন এবং প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণার জন্য ২০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখের ঠিক তিন সপ্তাহ পর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

পটভূমি: দুই বছরের মাথায় গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই বছরের মাথায় এই নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

৫ আগস্টের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ৮ আগস্ট থেকে যাত্রা শুরু করে। এই সরকারের বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা দিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের সিদ্ধান্ত হয়। গত ১৩ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করেন, সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনে এটিই প্রথম কোনো নির্বাচন। এই ‘অনভিজ্ঞ’ সরকার ও ইসির অধীনে একই দিনে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হতে যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় : ০৭:২১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ (জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য) এর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

সিইসি নাসির উদ্দিন জানান, আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে এই ভোট উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এদিন ৩০০ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দেশব্যাপী গণভোট হবে।

নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি:

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করেছেন:

কার্যক্রম সময়সীমা
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা ১২ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি
মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ১১ জানুয়ারি
আপিল নিষ্পত্তি ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি
চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি
নির্বাচনি গণসংযোগ ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত)
ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি

প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য মোট ১৮ দিন এবং প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণার জন্য ২০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখের ঠিক তিন সপ্তাহ পর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

পটভূমি: দুই বছরের মাথায় গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই বছরের মাথায় এই নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

৫ আগস্টের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ৮ আগস্ট থেকে যাত্রা শুরু করে। এই সরকারের বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা দিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের সিদ্ধান্ত হয়। গত ১৩ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করেন, সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনে এটিই প্রথম কোনো নির্বাচন। এই ‘অনভিজ্ঞ’ সরকার ও ইসির অধীনে একই দিনে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হতে যাচ্ছে।