ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে দর্শকদের হামলায় পণ্ড জেমসের কনসার্ট, ‘তৌহিদি জনতা’র খবর গুজব

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 396

ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা জেমসের (নগর বাউল) কনসার্ট ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে বিপুল সংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। তবে এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুজব ছড়ানো হলেও এর পেছনে কোনো ধর্মীয় বা উস্কানিমূলক কারণ ছিল না বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত:

আয়োজক কমিটি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠানটি ছিল মূলত জিলা স্কুলের নিবন্ধিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য। প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী এতে নিবন্ধনের মাধ্যমে অংশ নেন। জেমসের পারফরম্যান্সের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপুল সংখ্যক বহিরাগত মানুষ স্কুল প্রাঙ্গণে ভিড় জমায়। এদের মধ্যে জেমসের ভক্তদের পাশাপাশি স্থানীয় কিছু উগ্র আচরণকারী তরুণও ছিল।

হামলা নাকি বিশৃঙ্খলা?

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম রানা জানান, জেমস তখনও মঞ্চে ওঠেননি এবং কনসার্ট শুরুই হয়নি। বাইরে থেকে আসা দর্শকেরা জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে আয়োজকদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ বহিরাগতরা হামলা চালালে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়।

গুজব বনাম বাস্তবতা:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ‘তৌহিদি জনতার হামলা’র তথ্যটি নাকচ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এটি মূলত দর্শকদের বিশৃঙ্খলা এবং প্রবেশ করতে না পারা একদল মানুষের হঠকারী আচরণের ফল। পুলিশ ও আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব না ছড়াতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফরিদপুরে দর্শকদের হামলায় পণ্ড জেমসের কনসার্ট, ‘তৌহিদি জনতা’র খবর গুজব

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা জেমসের (নগর বাউল) কনসার্ট ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে বিপুল সংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। তবে এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুজব ছড়ানো হলেও এর পেছনে কোনো ধর্মীয় বা উস্কানিমূলক কারণ ছিল না বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত:

আয়োজক কমিটি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠানটি ছিল মূলত জিলা স্কুলের নিবন্ধিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য। প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী এতে নিবন্ধনের মাধ্যমে অংশ নেন। জেমসের পারফরম্যান্সের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপুল সংখ্যক বহিরাগত মানুষ স্কুল প্রাঙ্গণে ভিড় জমায়। এদের মধ্যে জেমসের ভক্তদের পাশাপাশি স্থানীয় কিছু উগ্র আচরণকারী তরুণও ছিল।

হামলা নাকি বিশৃঙ্খলা?

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম রানা জানান, জেমস তখনও মঞ্চে ওঠেননি এবং কনসার্ট শুরুই হয়নি। বাইরে থেকে আসা দর্শকেরা জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে আয়োজকদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ বহিরাগতরা হামলা চালালে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়।

গুজব বনাম বাস্তবতা:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ‘তৌহিদি জনতার হামলা’র তথ্যটি নাকচ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এটি মূলত দর্শকদের বিশৃঙ্খলা এবং প্রবেশ করতে না পারা একদল মানুষের হঠকারী আচরণের ফল। পুলিশ ও আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব না ছড়াতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।