ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ সন্তানের জনক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 408

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী যুবতীকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মো. কাইয়ুম মোল্যা (৪৫) নামে দুই সন্তানের এক জনককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে তাকে ফরিদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ ও মামলা:

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা সাধুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রোকন মোল্যার ছেলে কাইয়ুম মোল্যা। তিনি একই এলাকার ২৮ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী যুবতীকে কৌশলে ফুসলিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ধারাবাহিক এই নির্যাতনের ফলে ওই যুবতী একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

গ্রেপ্তার ও পুলিশি অভিযান:

এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে বাদী হয়ে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সালথা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কাইয়ুম মোল্যাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

ওসি’র বক্তব্য:

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “ধর্ষণের ফলে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী যুবতী বর্তমানে গর্ভবতী। পরিবারের মামলার প্রেক্ষিতে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি। ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

আটক কাইয়ুম মোল্যা বিবাহিত এবং এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। বর্তমানে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ফরিদপুরে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ সন্তানের জনক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী যুবতীকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মো. কাইয়ুম মোল্যা (৪৫) নামে দুই সন্তানের এক জনককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে তাকে ফরিদপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ ও মামলা:

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা সাধুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রোকন মোল্যার ছেলে কাইয়ুম মোল্যা। তিনি একই এলাকার ২৮ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী যুবতীকে কৌশলে ফুসলিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ধারাবাহিক এই নির্যাতনের ফলে ওই যুবতী একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

গ্রেপ্তার ও পুলিশি অভিযান:

এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে বাদী হয়ে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সালথা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কাইয়ুম মোল্যাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

ওসি’র বক্তব্য:

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “ধর্ষণের ফলে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী যুবতী বর্তমানে গর্ভবতী। পরিবারের মামলার প্রেক্ষিতে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি। ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

আটক কাইয়ুম মোল্যা বিবাহিত এবং এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। বর্তমানে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।