ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে কলাবাগান থেকে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 426

ফরিদপুরে টিপু সুলতান (৪০) নামে এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত টিপু সুলতান ওই এলাকার মৃত জয়েদ আলী শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ:

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা টিপু সুলতানকে হত্যা করে। এরপর মরদেহটি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সজল মিয়ার পুকুর সংলগ্ন ইলিয়াছ শেখের কলাবাগানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। শুক্রবার ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে বাগানের কর্মচারী হাকিম গাছে পানি দিতে গিয়ে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশের পদক্ষেপ:

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। এরপর লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ফরিদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ফরিদপুরে কলাবাগান থেকে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরে টিপু সুলতান (৪০) নামে এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত টিপু সুলতান ওই এলাকার মৃত জয়েদ আলী শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।

ঘটনার বিবরণ:

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা টিপু সুলতানকে হত্যা করে। এরপর মরদেহটি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সজল মিয়ার পুকুর সংলগ্ন ইলিয়াছ শেখের কলাবাগানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। শুক্রবার ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে বাগানের কর্মচারী হাকিম গাছে পানি দিতে গিয়ে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশের পদক্ষেপ:

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। এরপর লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ফরিদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।