ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ভুল চিকিৎসায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গৃহবধূ, আদালতে মামলা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 434

ফরিদপুরের মধুখালীতে এক গৃহবধূকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে সংকটাপন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গ্রাম্য চিকিৎসক ও শহরের একটি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ফরিদপুরের সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) বাদী পক্ষের আইনজীবী অনিমেষ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) মধুখালী উপজেলার মেগচামী গ্রামের প্রশান্ত কুমার রায় (৪৫) এই অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ: ভুল চিকিৎসায় জীবন শঙ্কায় গৃহবধূ

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রশান্ত কুমার রায়ের স্ত্রী শিখা রায় (৩৫) বুকে ও পেটে ব্যথা অনুভব করলে তাকে স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক অশোক মন্ডলের কাছে নেওয়া হয়। অশোক মন্ডল তাৎক্ষণিকভাবে তার পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে বলে জানান এবং অপারেশনের পরামর্শ দেন। গত ২ আগস্ট শিখা রায়কে একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় এবং পরদিন ৩ আগস্ট তার অস্ত্রোপচার হয়।

অস্ত্রোপচারের পর বাড়িতে ফিরে আসার কিছুদিন পরেই ১০ আগস্ট শিখা রায়ের পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। তাকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করাতে গেলে কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করে। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানকার চিকিৎসকরা জানান, তার অস্ত্রোপচার সঠিকভাবে হয়নি এবং তিনি এখন মৃত্যু ঝুঁকিতে আছেন।

আদালতের নির্দেশ ও পরবর্তী পদক্ষেপ

বাদী তার অভিযোগে বলেন, আসামিরা যোগসাজশে আর্থিক লোভে তার স্ত্রীর জীবন বিপন্ন করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অনিমেষ রায় জানান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ এলাহী শিখা রায়ের স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৩ অক্টোবর অভিযোগের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান বলেন, “আদালতের নির্দেশনা এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলেই তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।”

ফরিদপুরে ভুল চিকিৎসায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গৃহবধূ, আদালতে মামলা

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

ফরিদপুরের মধুখালীতে এক গৃহবধূকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে সংকটাপন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গ্রাম্য চিকিৎসক ও শহরের একটি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ফরিদপুরের সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) বাদী পক্ষের আইনজীবী অনিমেষ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) মধুখালী উপজেলার মেগচামী গ্রামের প্রশান্ত কুমার রায় (৪৫) এই অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ: ভুল চিকিৎসায় জীবন শঙ্কায় গৃহবধূ

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রশান্ত কুমার রায়ের স্ত্রী শিখা রায় (৩৫) বুকে ও পেটে ব্যথা অনুভব করলে তাকে স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক অশোক মন্ডলের কাছে নেওয়া হয়। অশোক মন্ডল তাৎক্ষণিকভাবে তার পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে বলে জানান এবং অপারেশনের পরামর্শ দেন। গত ২ আগস্ট শিখা রায়কে একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় এবং পরদিন ৩ আগস্ট তার অস্ত্রোপচার হয়।

অস্ত্রোপচারের পর বাড়িতে ফিরে আসার কিছুদিন পরেই ১০ আগস্ট শিখা রায়ের পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। তাকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করাতে গেলে কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করে। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানকার চিকিৎসকরা জানান, তার অস্ত্রোপচার সঠিকভাবে হয়নি এবং তিনি এখন মৃত্যু ঝুঁকিতে আছেন।

আদালতের নির্দেশ ও পরবর্তী পদক্ষেপ

বাদী তার অভিযোগে বলেন, আসামিরা যোগসাজশে আর্থিক লোভে তার স্ত্রীর জীবন বিপন্ন করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অনিমেষ রায় জানান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ এলাহী শিখা রায়ের স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৩ অক্টোবর অভিযোগের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান বলেন, “আদালতের নির্দেশনা এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলেই তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।”