ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩৫ ফুট গর্তে দুই বছরের সাজিদ: ২১ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর উদ্ধার অভিযান

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 301

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় দুই বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে চলছে টানা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান। ৮ ইঞ্চি ব্যাসের সরু গর্ত দিয়ে মাটির প্রায় ৩৫ ফুট নিচে পড়ে যায় শিশুটি। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের ২১ ঘণ্টার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এখনো তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার সময় ও স্থান

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে তানোরের পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শিশুটির বাবা রাকিবুল ইসলাম স্থানীয় বাসিন্দা।

উদ্ধারকর্মীদের সর্বস্ব প্রচেষ্টা

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানান,
স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধার চেষ্টা করলেও মাটি ধসে গর্ত আরও নিচে ভরে যায়।

এরপর

তানোর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

রাজশাহী সদর

স্টেশনের তিনটি ইউনিট অভিযান শুরু করে।

অক্সিজেন সরবরাহের জন্য পাইপ নিচে নামানো হয়েছে এবং স্কেভেটর দিয়ে খনন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, উদ্ধার কাজে আরও দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

কীভাবে তৈরি হলো এই বিপজ্জনক গর্ত?

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়—
এক বছর আগে জমির মালিক কছির উদ্দিন সেমিডিপ নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত করেছিলেন। ৩৫ ফুট বোরিংয়ের পর পানি না পেয়ে কাজ বন্ধ করেন।

গর্তটি এক বছর ধরে খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল।

কীভাবে গর্তে পড়ে গেল সাজিদ?

বুধবার দুপুরে শিশুটির মা মাঠ থেকে ধানগাছের খড় তুলছিলেন। ওই সময় সাজিদ খেলতে খেলতে খোলা গর্তের ওপর গিয়ে হঠাৎই নিচে পড়ে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

চলছে সময়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ

ফায়ার সার্ভিসের তিন ইউনিট শিশুটিকে জীবিত রাখতে অক্সিজেন দিতে থাকলেও সরু গর্ত এবং অতিরিক্ত মাটির কারণে উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠেছে।

৩৫ ফুট গর্তে দুই বছরের সাজিদ: ২১ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর উদ্ধার অভিযান

আপডেট সময় : ১২:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় দুই বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে চলছে টানা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান। ৮ ইঞ্চি ব্যাসের সরু গর্ত দিয়ে মাটির প্রায় ৩৫ ফুট নিচে পড়ে যায় শিশুটি। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের ২১ ঘণ্টার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এখনো তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার সময় ও স্থান

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে তানোরের পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শিশুটির বাবা রাকিবুল ইসলাম স্থানীয় বাসিন্দা।

উদ্ধারকর্মীদের সর্বস্ব প্রচেষ্টা

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানান,
স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধার চেষ্টা করলেও মাটি ধসে গর্ত আরও নিচে ভরে যায়।

এরপর

তানোর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

রাজশাহী সদর

স্টেশনের তিনটি ইউনিট অভিযান শুরু করে।

অক্সিজেন সরবরাহের জন্য পাইপ নিচে নামানো হয়েছে এবং স্কেভেটর দিয়ে খনন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, উদ্ধার কাজে আরও দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

কীভাবে তৈরি হলো এই বিপজ্জনক গর্ত?

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়—
এক বছর আগে জমির মালিক কছির উদ্দিন সেমিডিপ নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত করেছিলেন। ৩৫ ফুট বোরিংয়ের পর পানি না পেয়ে কাজ বন্ধ করেন।

গর্তটি এক বছর ধরে খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল।

কীভাবে গর্তে পড়ে গেল সাজিদ?

বুধবার দুপুরে শিশুটির মা মাঠ থেকে ধানগাছের খড় তুলছিলেন। ওই সময় সাজিদ খেলতে খেলতে খোলা গর্তের ওপর গিয়ে হঠাৎই নিচে পড়ে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

চলছে সময়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ

ফায়ার সার্ভিসের তিন ইউনিট শিশুটিকে জীবিত রাখতে অক্সিজেন দিতে থাকলেও সরু গর্ত এবং অতিরিক্ত মাটির কারণে উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠেছে।