ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে কেটে ১১ টুকরো: জনতার হাতে ধরা পড়ে গ্রিল কেটে পালাল স্বামী

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / 571

চট্টগ্রামে দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৩২)-কে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার পর তার দেহ ১১ টুকরো করেছে পাষণ্ড স্বামী সুমন। বুধবার (৯ জুলাই, ২০২৫) গভীর রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন পাহাড়িকা হাউজিং সোসাইটি এলাকায় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা সুমনকে আটক করলেও, সে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

হত্যার বিস্তারিত ও মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ফাতেমা বেগম ও তার স্বামী সুমন বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন রউফাবাদ পাহাড়িকা হাউজিংয়ের আর কে টাওয়ারের ৯ম তলায় বসবাস করতেন। প্রায় দশ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের আট বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। সুমন পেশায় গাড়িচালক ছিলেন।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান জানান, এই দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জের ধরে বুধবার রাত ১টার দিকে স্বামী সুমন চাপাতি ও ছুরি দিয়ে স্ত্রী ফাতেমাকে হত্যা করে। হত্যার পর সুুমন তার স্ত্রীর দেহকে ১১ টুকরো করে মেঝেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফাতেমার ছিন্নভিন্ন মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ঘটনার সময় তাদের একমাত্র সন্তান বাসায় ছিল না; সে এক আত্মীয়ের বাসায় ছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

ঘাতক সুমনের পলায়ন ও পুলিশি অভিযান

স্থানীয়রা সুমনকে প্রথমে আটক করতে সক্ষম হলেও, সে পরবর্তীতে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। ঘাতক সুমনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

স্ত্রীকে কেটে ১১ টুকরো: জনতার হাতে ধরা পড়ে গ্রিল কেটে পালাল স্বামী

আপডেট সময় : ১১:৫২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

চট্টগ্রামে দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৩২)-কে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার পর তার দেহ ১১ টুকরো করেছে পাষণ্ড স্বামী সুমন। বুধবার (৯ জুলাই, ২০২৫) গভীর রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন পাহাড়িকা হাউজিং সোসাইটি এলাকায় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা সুমনকে আটক করলেও, সে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

হত্যার বিস্তারিত ও মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ফাতেমা বেগম ও তার স্বামী সুমন বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন রউফাবাদ পাহাড়িকা হাউজিংয়ের আর কে টাওয়ারের ৯ম তলায় বসবাস করতেন। প্রায় দশ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের আট বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। সুমন পেশায় গাড়িচালক ছিলেন।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান জানান, এই দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জের ধরে বুধবার রাত ১টার দিকে স্বামী সুমন চাপাতি ও ছুরি দিয়ে স্ত্রী ফাতেমাকে হত্যা করে। হত্যার পর সুুমন তার স্ত্রীর দেহকে ১১ টুকরো করে মেঝেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফাতেমার ছিন্নভিন্ন মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ঘটনার সময় তাদের একমাত্র সন্তান বাসায় ছিল না; সে এক আত্মীয়ের বাসায় ছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

ঘাতক সুমনের পলায়ন ও পুলিশি অভিযান

স্থানীয়রা সুমনকে প্রথমে আটক করতে সক্ষম হলেও, সে পরবর্তীতে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। ঘাতক সুমনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।