ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ঈদের দিনে রণক্ষেত্র, বাড়িঘর ভাঙচুর- আহত ১০

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • / 551

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের দিন সকালে দুই পক্ষের মধ্যে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ১৫-২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছে।

পুরানো বিরোধের জের

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সী এবং চুন্নু মিয়ার মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই পুরানো শত্রুতার জের ধরেই ঈদের নামাজের পরপরই দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিবাগত রাতেও এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছিলেন।

ঘটনাস্থলের চিত্র

সকাল ৯টার দিকে ঈদের নামাজ শেষে গ্রামের লোকজন যখন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন, তখনই দুই পক্ষ ঢাল, সরকি, রামদা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উত্তেজিত জনতা অন্তত ১৫-২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিপুল সংখ্যক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

পুলিশের বক্তব্য

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে রণক্ষেত্র, বাড়িঘর ভাঙচুর- আহত ১০

আপডেট সময় : ০৩:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের দিন সকালে দুই পক্ষের মধ্যে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ১৫-২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছে।

পুরানো বিরোধের জের

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সী এবং চুন্নু মিয়ার মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই পুরানো শত্রুতার জের ধরেই ঈদের নামাজের পরপরই দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিবাগত রাতেও এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছিলেন।

ঘটনাস্থলের চিত্র

সকাল ৯টার দিকে ঈদের নামাজ শেষে গ্রামের লোকজন যখন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন, তখনই দুই পক্ষ ঢাল, সরকি, রামদা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উত্তেজিত জনতা অন্তত ১৫-২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিপুল সংখ্যক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

পুলিশের বক্তব্য

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।