ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের এডুকেশন জোনে ট্রেন—৩৫ বছরের অপেক্ষার অবসান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 360

ফরিদপুর শহরের এডুকেশন জোন খ্যাত বাইতুল আমান কলেজ গেট এলাকায় অবশেষে ৩৫ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় বহুদিনের দাবির পর সেখানে প্রথমবারের মতো থামে যাত্রীবাহী ট্রেন।

ট্রেন থামতেই এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস। মিষ্টি বিতরণ, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দমুখর পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এই সুবিধার সরাসরি উপকারভোগী হবেন।

উদ্বোধনী মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন—
ট্রেন থামানোর আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ আলাওল হোসেন তনু, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আদনান হোসেন অনু, কনজ্যুমার ভয়েস অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রুমন চৌধুরী, প্রিন্সিপাল মো. লোকমান হোসেন, ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানসহ আরও অনেকে।

শুকরিয়া আদায় ও দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন কমলাপুর রেলস্টেশন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুজিবুর রহমান।

বাইতুল আমান এলাকা ফরিদপুরের সবচেয়ে বড় শিক্ষা অঞ্চল, যেখানে রয়েছে—
রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, সরকারি কলেজ, সিটি কলেজসহ বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এতো বড় শিক্ষা অঞ্চলে সহজ নিরাপদ যাতায়াতের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করে আসছিলেন।

গত ৩০ অক্টোবর, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন ফরিদপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে এলে আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি তুলে ধরেন। তিনি তখন জানান—
“শিক্ষার্থীদের এই দাবি যুক্তিসঙ্গত, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ওই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন দেখা গেল আজ, বাইতুল আমান কলেজ গেটে ট্রেন থামানোর মাধ্যমে।

ফরিদপুরের এডুকেশন জোনে ট্রেন—৩৫ বছরের অপেক্ষার অবসান

আপডেট সময় : ০৯:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুর শহরের এডুকেশন জোন খ্যাত বাইতুল আমান কলেজ গেট এলাকায় অবশেষে ৩৫ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় বহুদিনের দাবির পর সেখানে প্রথমবারের মতো থামে যাত্রীবাহী ট্রেন।

ট্রেন থামতেই এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস। মিষ্টি বিতরণ, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দমুখর পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এই সুবিধার সরাসরি উপকারভোগী হবেন।

উদ্বোধনী মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন—
ট্রেন থামানোর আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ আলাওল হোসেন তনু, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আদনান হোসেন অনু, কনজ্যুমার ভয়েস অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রুমন চৌধুরী, প্রিন্সিপাল মো. লোকমান হোসেন, ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানসহ আরও অনেকে।

শুকরিয়া আদায় ও দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন কমলাপুর রেলস্টেশন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুজিবুর রহমান।

বাইতুল আমান এলাকা ফরিদপুরের সবচেয়ে বড় শিক্ষা অঞ্চল, যেখানে রয়েছে—
রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, সরকারি কলেজ, সিটি কলেজসহ বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এতো বড় শিক্ষা অঞ্চলে সহজ নিরাপদ যাতায়াতের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করে আসছিলেন।

গত ৩০ অক্টোবর, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন ফরিদপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে এলে আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি তুলে ধরেন। তিনি তখন জানান—
“শিক্ষার্থীদের এই দাবি যুক্তিসঙ্গত, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ওই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন দেখা গেল আজ, বাইতুল আমান কলেজ গেটে ট্রেন থামানোর মাধ্যমে।