ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের ‘সুমি’র প্রেমের ফাঁদে নিঃস্ব ব্যবসায়ী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 2695

সুন্দরী নারীর প্রেম ও ইউরোপে নেওয়ার প্রলোভনে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন ঢাকার উত্তরার এক ব্যবসায়ী। স্টুডেন্ট ভিসায় ইউরোপ পাঠানোর নাম করে কুড়িগ্রামের যুবক মফিজুল ইসলামের কাছ থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার রুপালী খাতুন ওরফে সুমির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে আদালতে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভুক্তভোগী।

যেভাবে প্রেমের ফাঁদে ফেলা হয়:

ভুক্তভোগী মফিজুল ইসলাম জানান, উত্তরার পাশাপাশি বাসায় থাকার সুবাদে মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নের রুপালী খাতুন সুমির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সুমি নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে মফিজুলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তাকে স্টুডেন্ট ভিসায় ইউরোপে পাঠানোর স্বপ্ন দেখান।

মালয়েশিয়ায় নিয়ে টাকা আত্মসাৎ:

ইউরোপ যাওয়ার প্রক্রিয়ার কথা বলে সুমি মফিজুলকে প্রথমে মালয়েশিয়া নিয়ে যান। সেখানে ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখানোর কথা বলে মফিজুলের কাছ থেকে ৩০ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ লাখ টাকা) নিজের অ্যাকাউন্টে জমা নেন। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর ভাড়াটে লোক দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে মফিজুলকে জোরপূর্বক দেশে পাঠিয়ে দেন ওই নারী।

একাধিক বিয়ে ও প্রতারণার অভিযোগ:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুপালী খাতুন ও তার মা সুফিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে ও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। সুন্দরী হওয়ায় রুপালী ঢাকায় ৪-৫টি বিয়ে করেছেন এবং তার সন্তানও রয়েছে। বর্তমানে তিনি অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় অন্য এক পুরুষের সঙ্গে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী মফিজুল ইসলাম বলেন, “আমি সব হারিয়ে নিঃস্ব। আমার কষ্টার্জিত টাকা ফেরত চাই এবং এই প্রতারক চক্রের বিচার চাই।”

ফরিদপুরের ‘সুমি’র প্রেমের ফাঁদে নিঃস্ব ব্যবসায়ী

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

সুন্দরী নারীর প্রেম ও ইউরোপে নেওয়ার প্রলোভনে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন ঢাকার উত্তরার এক ব্যবসায়ী। স্টুডেন্ট ভিসায় ইউরোপ পাঠানোর নাম করে কুড়িগ্রামের যুবক মফিজুল ইসলামের কাছ থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার রুপালী খাতুন ওরফে সুমির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে আদালতে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভুক্তভোগী।

যেভাবে প্রেমের ফাঁদে ফেলা হয়:

ভুক্তভোগী মফিজুল ইসলাম জানান, উত্তরার পাশাপাশি বাসায় থাকার সুবাদে মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নের রুপালী খাতুন সুমির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সুমি নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে মফিজুলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তাকে স্টুডেন্ট ভিসায় ইউরোপে পাঠানোর স্বপ্ন দেখান।

মালয়েশিয়ায় নিয়ে টাকা আত্মসাৎ:

ইউরোপ যাওয়ার প্রক্রিয়ার কথা বলে সুমি মফিজুলকে প্রথমে মালয়েশিয়া নিয়ে যান। সেখানে ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখানোর কথা বলে মফিজুলের কাছ থেকে ৩০ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ লাখ টাকা) নিজের অ্যাকাউন্টে জমা নেন। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর ভাড়াটে লোক দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে মফিজুলকে জোরপূর্বক দেশে পাঠিয়ে দেন ওই নারী।

একাধিক বিয়ে ও প্রতারণার অভিযোগ:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুপালী খাতুন ও তার মা সুফিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে ও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। সুন্দরী হওয়ায় রুপালী ঢাকায় ৪-৫টি বিয়ে করেছেন এবং তার সন্তানও রয়েছে। বর্তমানে তিনি অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় অন্য এক পুরুষের সঙ্গে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী মফিজুল ইসলাম বলেন, “আমি সব হারিয়ে নিঃস্ব। আমার কষ্টার্জিত টাকা ফেরত চাই এবং এই প্রতারক চক্রের বিচার চাই।”