ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ডিভোর্সী দম্পতির দ্বন্দ্ব: শোরুমের ভেতরেই মারামারি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 851

ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর মোড়ে অবস্থিত ‘পিংক’ কসমেটিকস ও গার্মেন্ট শোরুমের মালিকানা নিয়ে এক ডিভোর্সী দম্পতির মধ্যে চরম উত্তেজনা ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের জেরে আশা (৩৭) নামে দোকানের এক সেলসম্যান গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে শোরুমের ভেতরেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনার বর্ণনা:

বিকেল পৌনে ৬টার দিকে শোরুমের ভেতর থেকে ‘ও মারে, গেলাম রে…’ বলে চিৎকার করতে করতে দোকানের কর্মচারী আশাকে রক্তাক্ত অবস্থায় রিকশাযোগে হাসপাতালের দিকে যেতে দেখা যায়। এ সময় শোরুমের সামনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ:

হৃদয়ের বাবা ইমরোজ হোসেনের দাবি, শোরুমের ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক লোন সবই তার ছেলের নামে। তার দাবি, “ছেলের সদ্য ডিভোর্সী স্ত্রী আফসানা মিমি জোরপূর্বক সব দখল করতে চাইছে। সে আমার বোন আশার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।”

অন্যদিকে, কাউন্টারে বসে থাকা সৈয়দা আফসানা মিমি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “গত ৯ দিন ধরে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে নির্যাতন করছে। তারা আমার ট্রেড লাইসেন্স ছিঁড়ে ফেলেছে এবং জোর করে টাকা নিতে এসেছে। ফুফু শাশুড়ি ভিডিও করে উসকানি দিচ্ছিল। রাগের মাথায় হাতের কাছে থাকা একটি বস্তু (চ্যাঙ্গা) ছুড়ে মারলে সেটি তার মাথায় লাগে।”

পুলিশের বক্তব্য:

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার এসআই হিরামন ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, মালিকানা সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে মূলত এই ঝামেলার সূত্রপাত। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

বর্তমানে ওই এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ডিভোর্সী দম্পতির এমন প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে শোরুমের ব্যবসায়িক কার্যক্রমও হুমকির মুখে পড়েছে।

ফরিদপুরে ডিভোর্সী দম্পতির দ্বন্দ্ব: শোরুমের ভেতরেই মারামারি

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর মোড়ে অবস্থিত ‘পিংক’ কসমেটিকস ও গার্মেন্ট শোরুমের মালিকানা নিয়ে এক ডিভোর্সী দম্পতির মধ্যে চরম উত্তেজনা ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের জেরে আশা (৩৭) নামে দোকানের এক সেলসম্যান গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে শোরুমের ভেতরেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনার বর্ণনা:

বিকেল পৌনে ৬টার দিকে শোরুমের ভেতর থেকে ‘ও মারে, গেলাম রে…’ বলে চিৎকার করতে করতে দোকানের কর্মচারী আশাকে রক্তাক্ত অবস্থায় রিকশাযোগে হাসপাতালের দিকে যেতে দেখা যায়। এ সময় শোরুমের সামনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ:

হৃদয়ের বাবা ইমরোজ হোসেনের দাবি, শোরুমের ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক লোন সবই তার ছেলের নামে। তার দাবি, “ছেলের সদ্য ডিভোর্সী স্ত্রী আফসানা মিমি জোরপূর্বক সব দখল করতে চাইছে। সে আমার বোন আশার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।”

অন্যদিকে, কাউন্টারে বসে থাকা সৈয়দা আফসানা মিমি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “গত ৯ দিন ধরে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে নির্যাতন করছে। তারা আমার ট্রেড লাইসেন্স ছিঁড়ে ফেলেছে এবং জোর করে টাকা নিতে এসেছে। ফুফু শাশুড়ি ভিডিও করে উসকানি দিচ্ছিল। রাগের মাথায় হাতের কাছে থাকা একটি বস্তু (চ্যাঙ্গা) ছুড়ে মারলে সেটি তার মাথায় লাগে।”

পুলিশের বক্তব্য:

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার এসআই হিরামন ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, মালিকানা সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে মূলত এই ঝামেলার সূত্রপাত। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

বর্তমানে ওই এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ডিভোর্সী দম্পতির এমন প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে শোরুমের ব্যবসায়িক কার্যক্রমও হুমকির মুখে পড়েছে।