ফরিদপুরের অভিভাবক হবেন এ. কে. আজাদ? রাজনৈতিক মহলে জল্পনা!
- আপডেট সময় : ০১:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
- / 1477
ফরিদপুর-৩ আসনের সাবেক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য এবং হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছেন। বুধবার (১১ জুন, ২০২৫) দিনব্যাপী ফরিদপুর সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে তিনি গণসংযোগ করেছেন। এ সময় তিনি দুটি ইউনিয়নে গোরস্থান নির্মাণ ও সম্প্রসারণের জন্য অনুদানও দিয়েছেন।
এ. কে. আজাদ তার গণসংযোগকালে বলেন, “আমি ও আমার পরিবার গত দুই যুগ ধরে ফরিদপুরের অসহায় মানুষের পাশে আছি। বিপদে-আপদে এই অঞ্চলের মানুষ আমাদের ভরসা করে। ভবিষ্যতেও আমরা তাদের পাশেই থাকতে চাই।”
রাজনৈতিক ইঙ্গিত ও নির্ভয়ের বার্তা
ফরিদপুরের স্থানীয় বিএনপির একটি পক্ষের দিকে ইঙ্গিত করে এ. কে. আজাদ বলেন, “আমার সভায় আসতে অনেককে ফোন করে নিষেধ করা হয়েছে, এখানে এলে তাদের নামে মামলা দেওয়া হবে বলেও ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে।” তিনি জানান, এই বিষয়টি জানার পর তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে, পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার সভা-সমাবেশ বা প্রচার-প্রচারণায় কোনো সমস্যা নেই এবং পুলিশ তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। এ. কে. আজাদ আশাপ্রকাশ করেন যে, তার এই বার্তা জানার পর মানুষের ভয় কেটে যাবে।
গণসংযোগকালে জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিদ আল ফারুক বলেন, “আমরা ফরিদপুর সদরের এমপি হিসেবে এ. কে. আজাদকে দেখতে চাই। তিনি ফরিদপুরের অভিভাবক।”
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. মোতালেব হোসেন, পরিচালক বেলাল হোসেন, অ্যাডভোকেট শামসুল হক ভোলা মাস্টার, সমাজসেবক শাহ আলম মুকুল, শহিদুল ইসলাম নিরু, শিক্ষক নেতা আক্কাস পরামানিক, স্থানীয় ডিক্রীর চর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু, ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সোবহান মোল্লা, সমাজসেবক উজ্জ্বল সরকার লোটন, মজিদ ফকির, মানোয়ার হোসেন, আবুল বাতিন, আক্তার হোসেন, সিরাজ মীর প্রমুখ।
জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অনুদান
এদিন বেলা ১১টায় ডিক্রীর চর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মতবিনিময় সভা শেষে এ. কে. আজাদ নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কামার ডাঙ্গীতে মরহুম সালাম চেয়ারম্যানের বাড়ি-সংলগ্ন গোরস্থান সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য ১০ লাখ টাকা অনুদান দেন। এ সময় তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এরপর পার্শ্ববর্তী ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের দুই ও তিন নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী নির্মাণাধীন কবরস্থানের জন্য ১৬ লাখ টাকা অনুদান দেন। এই সময়ে তিনি কবরস্থান-সংলগ্ন মসজিদ ও মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
বিকেলে এ. কে. আজাদ স্থানীয় কানাইপুর ইউনিয়নের সিকদার বাড়ি মন্দিরে কীর্তন পরিদর্শন করেন এবং সেখানেও অনুদান প্রদান করেন।





















