ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুর: ৬ বছর ধরে মেয়েকে ধর্ষণ, বাবার আমৃত্যু কারাদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 981

ফরিদপুরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে আব্দুল ওহাব মোল্লা (৪২) নামে এক পাষণ্ড বাবাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৳৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও, আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী মেয়েকে বুঝিয়ে দিতে হবে।

রোববার দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অভিযোগ ও ধর্ষণের দীর্ঘ ইতিহাস

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল ওহাব মোল্লা নিজ বাড়িতে তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি পরে তার মাকে বিষয়টি জানালে ১৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

তবে মামলায় আরও ভয়াবহ তথ্য উঠে আসে। বলা হয়, মূল ঘটনার প্রায় ৬ বছর আগে থেকেই বাবা বিভিন্ন সময়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে আসছিলেন।

বিচার প্রক্রিয়া ও ডিএনএ প্রমাণ

ট্রাইব্যুনাল এই মামলার বিচার চলাকালে মোট ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ ডিএনএ (DNA) টেস্টেও ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়। সমস্ত সাক্ষ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালত কক্ষেই হাজির করা হয়। এরপর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

ফরিদপুর: ৬ বছর ধরে মেয়েকে ধর্ষণ, বাবার আমৃত্যু কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে আব্দুল ওহাব মোল্লা (৪২) নামে এক পাষণ্ড বাবাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৳৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও, আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী মেয়েকে বুঝিয়ে দিতে হবে।

রোববার দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অভিযোগ ও ধর্ষণের দীর্ঘ ইতিহাস

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল ওহাব মোল্লা নিজ বাড়িতে তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি পরে তার মাকে বিষয়টি জানালে ১৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

তবে মামলায় আরও ভয়াবহ তথ্য উঠে আসে। বলা হয়, মূল ঘটনার প্রায় ৬ বছর আগে থেকেই বাবা বিভিন্ন সময়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে আসছিলেন।

বিচার প্রক্রিয়া ও ডিএনএ প্রমাণ

ট্রাইব্যুনাল এই মামলার বিচার চলাকালে মোট ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ ডিএনএ (DNA) টেস্টেও ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়। সমস্ত সাক্ষ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালত কক্ষেই হাজির করা হয়। এরপর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।