ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধানের শীষ প্রতীক যে পাবে তাঁর জন্যই ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করবো

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবো – আফজাল হোসেন খান পলাশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 706

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নামার ঘোষণা দিয়েছে জেলা বিএনপি। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন খান পলাশের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেছেন, “এই নির্বাচনে ফরিদপুর সদর আসনে ধানের শীষ প্রতীক হেরে গেলে আমরা শুধু হারবোই না, চিরতরে হারিয়ে যাবো।”

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় শহরের হাবেলি গোপালপুরে আফজাল হোসেন খান পলাশের বাসভবন প্রাঙ্গণে ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামত ও সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়ন’ এবং নির্বাচন উপলক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

পলাশকে চাই পরবর্তী সভাপতি

সভায় উপস্থিত তৃণমূল নেতাকর্মীরা রাজপথের অকুতোভয় নেতা হিসেবে পরিচিত জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন খান পলাশকে জেলার পরবর্তী সভাপতি হিসেবে দেখতে চাওয়ার পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনাবিরোধী আন্দোলনের প্রতিটি কর্মসূচিতে আফজাল হোসেন খান পলাশ দৃঢ় ভুমিকা রেখেছেন। তাদের স্লোগান ছিল: “পলাশ ভাই যেখানে, আমরা আছি সেখানে।”

নেতাকর্মীরা পলাশের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, গ্রুপিংয়ের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি-ই একের পর এক সভা ডেকে তৃণমূলের পরামর্শ নিচ্ছেন, যা অন্যদের মাঝে বিরল।

পলাশের ক্ষোভ ও অঙ্গীকার

সভাপতির বক্তব্যে আফজাল হোসেন খান পলাশ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ফরিদপুরের রাজপথে কোনো আন্দোলন হয়নি যেখানে তিনি ছিলেন না।

সংগ্রাম: তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ ২৫টি মামলা দেওয়া হয়েছে এবং শেখ হাসিনার আমলে তাঁকে এক বছরের সন্তানকে ফেলে জেল খাটতে হয়েছে।

প্রলোভন প্রত্যাখ্যান: পলাশ বলেন, “আমাকে তারা অনেক অফারই দিয়েছিল। কোটি কোটি টাকার টেন্ডারের লোভ দেখিয়েছে। কিন্তু কেউ বলতে পারবে না, আমি কোনো ধরনের টেন্ডারবাজিতে জড়িত থেকেছি।” তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, কোনো প্রলোভনেই তাঁকে বিএনপির রাজনীতি থেকে ফেরাতে পারেনি।

ষড়যন্ত্র প্রতিহত: তিনি ওয়ান-ইলেভেনের সময়ের চক্রান্তের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আজকেও তারা বিএনপিকে নিয়ে চক্রান্ত শুরু করেছে। তিনি সকল ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার করেন।

ধানের শীষ ও কামাল ইবনে ইউসুফের উত্তরাধিকার

বক্তারা ফরিদপুর সদর আসনের কিংবদন্তী রাজনীতিবিদ মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের নেতৃত্ব ও জনপ্রিয়তার কথা স্মরণ করেন, যা আসনটিকে বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত করেছিল।

আগামীর প্রার্থী: বক্তারা বলেন, যদি চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে তাঁর সুযোগ্য কন্যা চৌধুরী নায়াব ইউসুফকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে তারা সন্তুষ্টচিত্তে তা মেনে নেবেন এবং যেকোনও মূল্যে তাঁকে জয়ী করবেন।

নির্বাচনী প্রস্তুতি: আজকের এই সভা থেকেই নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হলো উল্লেখ করে বক্তারা সতর্ক করেন, এবারের নির্বাচনে জিততে না পারলে আগামী পনেরো বছরেও জেতা সম্ভব হবে না।

শামীম হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় ফরিদপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকী মিতুল, যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল আরেফিন সাগর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এমএ সালাম লাল, বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান সহ জেলা ও মহানগর বিএনপি, যুবদল ও শ্রমিক দলের পঁয়তাল্লিশ জন বক্তা বক্তব্য রাখেন।

ধানের শীষ প্রতীক যে পাবে তাঁর জন্যই ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করবো

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবো – আফজাল হোসেন খান পলাশ

আপডেট সময় : ১০:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নামার ঘোষণা দিয়েছে জেলা বিএনপি। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন খান পলাশের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেছেন, “এই নির্বাচনে ফরিদপুর সদর আসনে ধানের শীষ প্রতীক হেরে গেলে আমরা শুধু হারবোই না, চিরতরে হারিয়ে যাবো।”

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় শহরের হাবেলি গোপালপুরে আফজাল হোসেন খান পলাশের বাসভবন প্রাঙ্গণে ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামত ও সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়ন’ এবং নির্বাচন উপলক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

পলাশকে চাই পরবর্তী সভাপতি

সভায় উপস্থিত তৃণমূল নেতাকর্মীরা রাজপথের অকুতোভয় নেতা হিসেবে পরিচিত জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন খান পলাশকে জেলার পরবর্তী সভাপতি হিসেবে দেখতে চাওয়ার পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনাবিরোধী আন্দোলনের প্রতিটি কর্মসূচিতে আফজাল হোসেন খান পলাশ দৃঢ় ভুমিকা রেখেছেন। তাদের স্লোগান ছিল: “পলাশ ভাই যেখানে, আমরা আছি সেখানে।”

নেতাকর্মীরা পলাশের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, গ্রুপিংয়ের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি-ই একের পর এক সভা ডেকে তৃণমূলের পরামর্শ নিচ্ছেন, যা অন্যদের মাঝে বিরল।

পলাশের ক্ষোভ ও অঙ্গীকার

সভাপতির বক্তব্যে আফজাল হোসেন খান পলাশ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ফরিদপুরের রাজপথে কোনো আন্দোলন হয়নি যেখানে তিনি ছিলেন না।

সংগ্রাম: তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ ২৫টি মামলা দেওয়া হয়েছে এবং শেখ হাসিনার আমলে তাঁকে এক বছরের সন্তানকে ফেলে জেল খাটতে হয়েছে।

প্রলোভন প্রত্যাখ্যান: পলাশ বলেন, “আমাকে তারা অনেক অফারই দিয়েছিল। কোটি কোটি টাকার টেন্ডারের লোভ দেখিয়েছে। কিন্তু কেউ বলতে পারবে না, আমি কোনো ধরনের টেন্ডারবাজিতে জড়িত থেকেছি।” তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, কোনো প্রলোভনেই তাঁকে বিএনপির রাজনীতি থেকে ফেরাতে পারেনি।

ষড়যন্ত্র প্রতিহত: তিনি ওয়ান-ইলেভেনের সময়ের চক্রান্তের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আজকেও তারা বিএনপিকে নিয়ে চক্রান্ত শুরু করেছে। তিনি সকল ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার করেন।

ধানের শীষ ও কামাল ইবনে ইউসুফের উত্তরাধিকার

বক্তারা ফরিদপুর সদর আসনের কিংবদন্তী রাজনীতিবিদ মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের নেতৃত্ব ও জনপ্রিয়তার কথা স্মরণ করেন, যা আসনটিকে বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত করেছিল।

আগামীর প্রার্থী: বক্তারা বলেন, যদি চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে তাঁর সুযোগ্য কন্যা চৌধুরী নায়াব ইউসুফকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে তারা সন্তুষ্টচিত্তে তা মেনে নেবেন এবং যেকোনও মূল্যে তাঁকে জয়ী করবেন।

নির্বাচনী প্রস্তুতি: আজকের এই সভা থেকেই নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হলো উল্লেখ করে বক্তারা সতর্ক করেন, এবারের নির্বাচনে জিততে না পারলে আগামী পনেরো বছরেও জেতা সম্ভব হবে না।

শামীম হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় ফরিদপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকী মিতুল, যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল আরেফিন সাগর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এমএ সালাম লাল, বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান সহ জেলা ও মহানগর বিএনপি, যুবদল ও শ্রমিক দলের পঁয়তাল্লিশ জন বক্তা বক্তব্য রাখেন।