ফরিদপুরের মধুখালীতে শ্রমিক দলের হুঙ্কার, রাজন হত্যার বিচার চাই
- আপডেট সময় : ০৮:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
- / 330
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরের মধুখালীতে জাতীয় শ্রমিক দলের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১ মে (বৃহস্পতিবার) বিকেলে মধুখালী আখ চাষী কল্যাণ ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মধুখালী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ নাহিদ ইসলাম সোহেল।
অতিথিদের উপস্থিতি ও বক্তব্য
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি রাকিব হোসেন চৌধুরী ইরান, সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাকি, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম আবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হায়দার আলী মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবলু কুমার রায় ও শরিফুল ইসলাম ফকির, ফরিদপুর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল আলিম মানিক, বিএনপি নেতা মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টু এবং উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর বিশ্বাস।
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আরও ছিলেন
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদলের আহ্বায়ক এস এম মুক্তার হোসেন, সদস্য সচিব মোঃ তারিকুল ইসলাম ইনামুল, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মোঃ মেহেদী হাসান মুন্নু, সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ, শ্রমিক নেতা মোঃ শাহিন মিয়া ও মোঃ ফারুক হোসেন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মিজানুর রহমান কালা, শ্রমিক মহিলা দলের নেত্রী মোসাঃ নাজমা আক্তার, নির্মাণ শ্রমিক নেতা মোঃ ইউনুস আলী, মোঃ রায়হান, মোঃ রাজু বিশ্বাস ও মোঃ রজব ইসলাম।
অনুষ্ঠানটি শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে, যা পাঠ করেন ওলামা দল নেতা মোঃ রাকিবুল ইসলাম।
বিশাল র্যালি ও প্রতিবাদ
আলোচনা সভা শেষে একটি বিশাল র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি আখ চাষী কল্যাণ ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মধুখালী রেলগেটে গিয়ে শেষ হয়।
রাজন হত্যার বিচার দাবিতে ক্ষোভ
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ফরিদপুর চিনি কলের পরিবহন বিভাগের শ্রমিক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি শাহ মোহাম্মদ রাজনের নির্মম হত্যার বিচার আজও হয়নি। তারা অবিলম্বে খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, ২০১৪ সালের মার্চ মাসে রাজনকে হত্যা করে তার মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়, যা শ্রমিক সমাজের প্রতি এক নির্মম অবিচার। এ হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে তারা ঘোষণা দেন।
শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের বার্তা
বক্তারা এই আয়োজনকে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে অভিহিত করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।





















