ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে জেলি দেওয়া চিংড়ি ও বিপুল পচা মাছ জব্দ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 379

ফরিদপুরের মুন্সি বাজার মাছের আড়তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ কৃত্রিম জেলি দেওয়া চিংড়ি মাছ এবং ৪/৫ মণ সামুদ্রিক পচা মাছ জব্দ করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আড়তদারকে ভোক্তা অধিকার আইনে জরিমানা করা হয় এবং জব্দকৃত মাছ ধ্বংস করা হয়।

আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) বেলা ১১টার সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান-এর নেতৃত্বে এই ঝটিকা মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

অভিযান ও জব্দকৃত মালামাল

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয় মুন্সি বাজার মাছের আড়তে।

জব্দকৃত মাছ: আই এল আর ফ্রিজে সংরক্ষিত অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে কৃত্রিম জেলি দেওয়া চিংড়ি মাছ এবং প্রায় ৪ থেকে ৫ মণ সামুদ্রিক পচা মাছ জব্দ করা হয়।

জরিমানা: অবৈধ মাছের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া না গেলেও, আড়তদারকে ভোক্তা অধিকার আইনে দশ হাজার টাকা তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

মাছ ধ্বংস ও উপস্থিত কর্মকর্তা

ধ্বংসের প্রক্রিয়া: জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে জব্দকৃত সম্পূর্ণ মাছ বিধি সম্মতভাবে উপস্থিত জনসাধারণের সম্মুখে কেরোসিন তেল ঢেলে গর্ত করে তিন ফুট মাটির নিচে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।

উপস্থিত কর্মকর্তা: মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আজমল ফুয়াদ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহামুদুল হোসেন। এছাড়া, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর তথা জেলা নিরাপদ খাদ্য ইন্সপেক্টর মো. বজলুর রশীদ খান প্রসিকিউশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ফরিদপুরে জেলি দেওয়া চিংড়ি ও বিপুল পচা মাছ জব্দ

আপডেট সময় : ১২:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের মুন্সি বাজার মাছের আড়তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ কৃত্রিম জেলি দেওয়া চিংড়ি মাছ এবং ৪/৫ মণ সামুদ্রিক পচা মাছ জব্দ করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আড়তদারকে ভোক্তা অধিকার আইনে জরিমানা করা হয় এবং জব্দকৃত মাছ ধ্বংস করা হয়।

আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) বেলা ১১টার সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান-এর নেতৃত্বে এই ঝটিকা মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

অভিযান ও জব্দকৃত মালামাল

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয় মুন্সি বাজার মাছের আড়তে।

জব্দকৃত মাছ: আই এল আর ফ্রিজে সংরক্ষিত অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে কৃত্রিম জেলি দেওয়া চিংড়ি মাছ এবং প্রায় ৪ থেকে ৫ মণ সামুদ্রিক পচা মাছ জব্দ করা হয়।

জরিমানা: অবৈধ মাছের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া না গেলেও, আড়তদারকে ভোক্তা অধিকার আইনে দশ হাজার টাকা তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

মাছ ধ্বংস ও উপস্থিত কর্মকর্তা

ধ্বংসের প্রক্রিয়া: জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে জব্দকৃত সম্পূর্ণ মাছ বিধি সম্মতভাবে উপস্থিত জনসাধারণের সম্মুখে কেরোসিন তেল ঢেলে গর্ত করে তিন ফুট মাটির নিচে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।

উপস্থিত কর্মকর্তা: মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আজমল ফুয়াদ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহামুদুল হোসেন। এছাড়া, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর তথা জেলা নিরাপদ খাদ্য ইন্সপেক্টর মো. বজলুর রশীদ খান প্রসিকিউশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।