ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরভদ্রাসনে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে  ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

চরভদ্রাসন(ফরিদপুর)প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪
  • / 153

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন ও সদরপুরে  ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস ও ৩০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে। সোমবার বিকেল তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম নিশাত ফারাবী।

গত ১৩ অক্টোবর হতে আগামী ৩রা নভেম্বর পর্যন্ত  ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানের অংশ হিসেবে বিকেল তিনটা থেকে আটটা পর্যন্ত দুই উপজেলার মাথাভাঙ্গা, শয়তানখালি, আকটের চর, চন্দ্রপাড়া, নারিকেলবাড়িয়ার পদ্মা নদীর বিভিন্ন জল সীমানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

এ সময় আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ মাছ শিকারে লিপ্ত থাকা জেলেরা পালিয়ে গেলেও মাছ ও জাল ফেলে যায়। উল্লেখিত স্থান হতে ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৩০ কেজি জাটকা ও মা ইলিশ জব্দ করে ভ্রাম্যমান আদালত।

পরে শয়তানখালি ঘাট এলাকায় জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয়া হয় এবং মাছ সদর ইউনিয়নের  এম কে ডাঙ্গী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম জাহাঙ্গীর কবির, ক্ষেত্র সহকারী শামীম আরেফিন প্রমুখ।

চরভদ্রাসনে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে  ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন ও সদরপুরে  ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস ও ৩০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে। সোমবার বিকেল তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম নিশাত ফারাবী।

গত ১৩ অক্টোবর হতে আগামী ৩রা নভেম্বর পর্যন্ত  ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানের অংশ হিসেবে বিকেল তিনটা থেকে আটটা পর্যন্ত দুই উপজেলার মাথাভাঙ্গা, শয়তানখালি, আকটের চর, চন্দ্রপাড়া, নারিকেলবাড়িয়ার পদ্মা নদীর বিভিন্ন জল সীমানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

এ সময় আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ মাছ শিকারে লিপ্ত থাকা জেলেরা পালিয়ে গেলেও মাছ ও জাল ফেলে যায়। উল্লেখিত স্থান হতে ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৩০ কেজি জাটকা ও মা ইলিশ জব্দ করে ভ্রাম্যমান আদালত।

পরে শয়তানখালি ঘাট এলাকায় জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয়া হয় এবং মাছ সদর ইউনিয়নের  এম কে ডাঙ্গী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম জাহাঙ্গীর কবির, ক্ষেত্র সহকারী শামীম আরেফিন প্রমুখ।