ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত: জামায়াতের সমাবেশ ও গণমিছিল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / 315

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে মডেল মসজিদের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

বক্তাদের তীব্র সমালোচনা ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুদ্দীন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলের তীব্র সমালোচনা করেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতা ধরে রাখতে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তার পতন ও দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়ার ঘটনাকে বক্তারা স্মরণ করেন।

বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনা চলে গেলেও তার দোসররা এখনো দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে দেশকে মুক্ত করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন করে লড়াই করার আহ্বান জানান বক্তারা। তারা আরও বলেন, এমনভাবে লড়াই করতে হবে যাতে কোনো বিদেশি হায়েনা তাদের পক্ষে কথা বলতে না পারে।

মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ

সমাবেশ শেষে জামায়াত ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি গণমিছিল বের করে, যা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, ফরিদপুর অঞ্চলের টিম প্রধান শামসুল ইসলাম আলবরাটি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব ও জেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত: জামায়াতের সমাবেশ ও গণমিছিল

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে মডেল মসজিদের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

বক্তাদের তীব্র সমালোচনা ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুদ্দীন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলের তীব্র সমালোচনা করেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতা ধরে রাখতে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তার পতন ও দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়ার ঘটনাকে বক্তারা স্মরণ করেন।

বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনা চলে গেলেও তার দোসররা এখনো দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে দেশকে মুক্ত করা। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন করে লড়াই করার আহ্বান জানান বক্তারা। তারা আরও বলেন, এমনভাবে লড়াই করতে হবে যাতে কোনো বিদেশি হায়েনা তাদের পক্ষে কথা বলতে না পারে।

মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ

সমাবেশ শেষে জামায়াত ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি গণমিছিল বের করে, যা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, ফরিদপুর অঞ্চলের টিম প্রধান শামসুল ইসলাম আলবরাটি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব ও জেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।