ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভর্তি বাতিলের জেরে ডাকসু জিএস পদও হারাচ্ছে গোলাম রাব্বানী

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 346

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের চার বছর পর সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এম. ফিল প্রোগ্রামের ভর্তি বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ভর্তি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ডাকসু নির্বাচনে তার জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) পদটিও অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে একটি তদন্ত কমিটি।

ভর্তি বাতিলের কারণ
২০১৯ সালের ১১ মার্চের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির তদন্তে উঠে আসে যে, গোলাম রাব্বানীর এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে হয়নি। এর ফলে ওই নির্বাচনে তার প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না বলে জানানো হয়। অবৈধ ছাত্রত্বের কারণে তার জিএস নির্বাচিত হওয়াকেও অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে কমিটি।

ডাকসু নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদনে শুধু গোলাম রাব্বানীর ঘটনাই নয়, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে আরও কিছু অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

কিছু প্রার্থী বা প্যানেলের পক্ষ থেকে ভোট কারচুপি করা।

অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া।

ভোটদানের জন্য কৃত্রিম লাইন তৈরি করা।

ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা।

ভোটদানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা।

অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ।

ব্যালট-বাক্সসহ বিভিন্ন ধরনের কারচুপি।

তবে এই সব অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আরও অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন বলেও তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে।

ভর্তি বাতিলের জেরে ডাকসু জিএস পদও হারাচ্ছে গোলাম রাব্বানী

আপডেট সময় : ১০:০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের চার বছর পর সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এম. ফিল প্রোগ্রামের ভর্তি বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ভর্তি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ডাকসু নির্বাচনে তার জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) পদটিও অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে একটি তদন্ত কমিটি।

ভর্তি বাতিলের কারণ
২০১৯ সালের ১১ মার্চের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির তদন্তে উঠে আসে যে, গোলাম রাব্বানীর এম. ফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে হয়নি। এর ফলে ওই নির্বাচনে তার প্রার্থীতাও বৈধ ছিল না বলে জানানো হয়। অবৈধ ছাত্রত্বের কারণে তার জিএস নির্বাচিত হওয়াকেও অবৈধ ঘোষণার সুপারিশ করেছে কমিটি।

ডাকসু নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদনে শুধু গোলাম রাব্বানীর ঘটনাই নয়, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে আরও কিছু অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

কিছু প্রার্থী বা প্যানেলের পক্ষ থেকে ভোট কারচুপি করা।

অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া।

ভোটদানের জন্য কৃত্রিম লাইন তৈরি করা।

ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা।

ভোটদানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা।

অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ।

ব্যালট-বাক্সসহ বিভিন্ন ধরনের কারচুপি।

তবে এই সব অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আরও অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন বলেও তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে।