ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন শিশু ধর্ষণ: দুই আসামি গ্রেফতার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 420

ফরিদপুর সদর উপজেলায় ১০ বছর বয়সী এক মানসিক ভারসাম্যহীন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রোববার (২৯ জুন, ২০২৫) দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে ফরিদপুর সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের তছিমোল্লা ডাঙ্গী গ্রামের একটি বাড়িতে এই পাশবিক ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন: জেলা সদরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের রিয়াজ উদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী (৪৮) এবং কোসা গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা মো. জুয়েল (২৪)।

ঘটনার বিবরণ ও মামলা

পুলিশ জানায়, শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনাটি খুলে বলার পর তার স্বজনরা রাতেই ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় এসে বিষয়টি জানান। পরে ওই শিশুর মামা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার দুপুরে টাকা দেওয়ার কথা বলে তছিমোল্লা ইজিবাইকে করে ডাঙ্গী গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানেই মানসিক ভারসাম্যহীন এই ১০ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ করা হয়। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর আগেও শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে।

জনতার হাতে আটক ও পুলিশের পদক্ষেপ

এদিকে, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযুক্ত ওমর আলী ও জুয়েলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে ওমর আলী শিশুটিকে ধর্ষণ করেছে এবং জুয়েল তাকে এই কাজে সহযোগিতা করেছে। এ মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ধর্ষণের শিকার শিশুটির শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা স্থানীয় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি করেছে।

ফরিদপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন শিশু ধর্ষণ: দুই আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১০:৫৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

ফরিদপুর সদর উপজেলায় ১০ বছর বয়সী এক মানসিক ভারসাম্যহীন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রোববার (২৯ জুন, ২০২৫) দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে ফরিদপুর সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের তছিমোল্লা ডাঙ্গী গ্রামের একটি বাড়িতে এই পাশবিক ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন: জেলা সদরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের রিয়াজ উদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী (৪৮) এবং কোসা গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা মো. জুয়েল (২৪)।

ঘটনার বিবরণ ও মামলা

পুলিশ জানায়, শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনাটি খুলে বলার পর তার স্বজনরা রাতেই ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় এসে বিষয়টি জানান। পরে ওই শিশুর মামা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার দুপুরে টাকা দেওয়ার কথা বলে তছিমোল্লা ইজিবাইকে করে ডাঙ্গী গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানেই মানসিক ভারসাম্যহীন এই ১০ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ করা হয়। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর আগেও শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে।

জনতার হাতে আটক ও পুলিশের পদক্ষেপ

এদিকে, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযুক্ত ওমর আলী ও জুয়েলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে ওমর আলী শিশুটিকে ধর্ষণ করেছে এবং জুয়েল তাকে এই কাজে সহযোগিতা করেছে। এ মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ধর্ষণের শিকার শিশুটির শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা স্থানীয় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি করেছে।