ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্র দমনের নীলনকশা, মিথ্যা মামলায় বাবুলের সাজা-বিজ্ঞ আইনজীবী বুলু

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 406

নাশকতার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানোয় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা। নগরকান্দা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলি খান এই ঘটনাকে ‘সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘হয়রানি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা এটিকে সরকারের রাজনৈতিক নিপীড়ন হিসেবে দেখছেন এবং অবিলম্বে বাবুলের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

যে মামলার রায় ও সাজা

আদালত সূত্র জানায়, বাবুলকে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে দায়ের করা একটি নাশকতার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। মামলাটি ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবরের একটি ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। সেসময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার পথে দলীয় নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকায় সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং ভাঙচুরের চেষ্টা করেন।

মামলায় দুটি পৃথক ধারায় বাবুলকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়:

প্রথম ধারা: আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা।

দ্বিতীয় ধারা: এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা।

আইন অনুযায়ী, জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও সাত দিন করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আইনগত প্রক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান গত মঙ্গলবার বাবুলের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাবুলের আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জানান, এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার জন্য এই ধরনের নীতি অবলম্বন করছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে বাবুলের কারাগারে যাওয়া নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

গণতন্ত্র দমনের নীলনকশা, মিথ্যা মামলায় বাবুলের সাজা-বিজ্ঞ আইনজীবী বুলু

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

নাশকতার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানোয় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা। নগরকান্দা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলি খান এই ঘটনাকে ‘সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘হয়রানি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা এটিকে সরকারের রাজনৈতিক নিপীড়ন হিসেবে দেখছেন এবং অবিলম্বে বাবুলের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

যে মামলার রায় ও সাজা

আদালত সূত্র জানায়, বাবুলকে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে দায়ের করা একটি নাশকতার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। মামলাটি ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবরের একটি ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। সেসময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার পথে দলীয় নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকায় সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং ভাঙচুরের চেষ্টা করেন।

মামলায় দুটি পৃথক ধারায় বাবুলকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়:

প্রথম ধারা: আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা।

দ্বিতীয় ধারা: এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা।

আইন অনুযায়ী, জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও সাত দিন করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আইনগত প্রক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান গত মঙ্গলবার বাবুলের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাবুলের আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জানান, এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার জন্য এই ধরনের নীতি অবলম্বন করছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে বাবুলের কারাগারে যাওয়া নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।