ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজেন্দ্র কলেজ: সাংস্কৃতিক পরিষদ গঠনে অধ্যক্ষকে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

শেখ সালমান আহমেদ, ফরিদপুরঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 506

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে শিক্ষার্থীদের সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে একটি ‘সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ’ গঠনের দাবিতে অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ ক্যাম্পাসে একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

স্মারকলিপি প্রদানের পর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম আব্দুল হালিম আগামী সোমবার শিক্ষক পরিষদের সভায় বিষয়টি উত্থাপন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীদের মূল লক্ষ্য

কলেজের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষের কাছে স্মারকলিপিটি পেশ করা হয়। শিক্ষার্থীদের দেওয়া স্মারকলিপিতে এই পরিষদ গঠনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলো তুলে ধরা হয়:

সৃজনশীলতা বৃদ্ধি: শিক্ষার্থীদের সাহিত্যচর্চা, সৃজনশীল লেখা ও পাঠচক্রে উৎসাহিত করা।

সাংস্কৃতিক পরিবেশ: নাটক, গান, আবৃত্তি, নৃত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন এবং ক্যাম্পাসে ইতিবাচক ও মানবিক সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি করা।

নতুন প্রতিভা: নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং তাদের মঞ্চে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করা।

বিশেষ আয়োজন: জাতীয় দিবস, সাহিত্য উৎসব, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও কর্মশালা নিয়মিত আয়োজন করা।

শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রতিশ্রুতিতে বলেন, ‘সংস্কৃতি হোক মুক্তির পথ, সাহিত্য হোক চিন্তার আলো’, আর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজকে সৃজনশীলতার মূল আসন হিসাবে গড়ে তোলা হবে।

অধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া

স্মারকলিপি প্রদানের সময় অধ্যক্ষ এবং শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল বেশ ইতিবাচক।

অধ্যক্ষের আশ্বাস: স্মারকলিপি গ্রহণের পর অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম আব্দুল হালিম বলেন, “এমন সংগঠন কলেজে আরো আগেই প্রয়োজন ছিল, তোমরা এখন উদ্যোগ নিয়েছো—আমরা তোমাদের সাথে আছি। আগামী সোমবার শিক্ষক পরিষদের সভায় এই বিষয়টি উত্থাপন করে একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

শিক্ষার্থীর বক্তব্য: ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী লাতিফুল খাবির বলেন, “আমরা মনে করি শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে সাহিত্য ও সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে প্রতিটি কলেজে এমন সংগঠন হওয়া প্রয়োজন। আমরা আশা করছি অধ্যক্ষ মহোদয় সুবিবেচনার মাধ্যমে আমাদের সাংগঠনিক অনুমতি প্রদান করবেন।”

স্মারকলিপি প্রদানকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন কাজী জেবা তাহসিন (ইসলামের ইতিহাস), মোল্যা আবির (বাংলা), জান্নাতুল সাদিয়া (বোটানি), লাতিফুল খাবির ও জুলকিফল বর্ণ (ব্যবস্থাপনা) সহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রাজেন্দ্র কলেজ: সাংস্কৃতিক পরিষদ গঠনে অধ্যক্ষকে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০১:২৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে শিক্ষার্থীদের সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে একটি ‘সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ’ গঠনের দাবিতে অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। কলেজ ক্যাম্পাসে একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

স্মারকলিপি প্রদানের পর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম আব্দুল হালিম আগামী সোমবার শিক্ষক পরিষদের সভায় বিষয়টি উত্থাপন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীদের মূল লক্ষ্য

কলেজের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষের কাছে স্মারকলিপিটি পেশ করা হয়। শিক্ষার্থীদের দেওয়া স্মারকলিপিতে এই পরিষদ গঠনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলো তুলে ধরা হয়:

সৃজনশীলতা বৃদ্ধি: শিক্ষার্থীদের সাহিত্যচর্চা, সৃজনশীল লেখা ও পাঠচক্রে উৎসাহিত করা।

সাংস্কৃতিক পরিবেশ: নাটক, গান, আবৃত্তি, নৃত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন এবং ক্যাম্পাসে ইতিবাচক ও মানবিক সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি করা।

নতুন প্রতিভা: নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং তাদের মঞ্চে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করা।

বিশেষ আয়োজন: জাতীয় দিবস, সাহিত্য উৎসব, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও কর্মশালা নিয়মিত আয়োজন করা।

শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রতিশ্রুতিতে বলেন, ‘সংস্কৃতি হোক মুক্তির পথ, সাহিত্য হোক চিন্তার আলো’, আর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজকে সৃজনশীলতার মূল আসন হিসাবে গড়ে তোলা হবে।

অধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া

স্মারকলিপি প্রদানের সময় অধ্যক্ষ এবং শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল বেশ ইতিবাচক।

অধ্যক্ষের আশ্বাস: স্মারকলিপি গ্রহণের পর অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম আব্দুল হালিম বলেন, “এমন সংগঠন কলেজে আরো আগেই প্রয়োজন ছিল, তোমরা এখন উদ্যোগ নিয়েছো—আমরা তোমাদের সাথে আছি। আগামী সোমবার শিক্ষক পরিষদের সভায় এই বিষয়টি উত্থাপন করে একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

শিক্ষার্থীর বক্তব্য: ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী লাতিফুল খাবির বলেন, “আমরা মনে করি শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে সাহিত্য ও সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে প্রতিটি কলেজে এমন সংগঠন হওয়া প্রয়োজন। আমরা আশা করছি অধ্যক্ষ মহোদয় সুবিবেচনার মাধ্যমে আমাদের সাংগঠনিক অনুমতি প্রদান করবেন।”

স্মারকলিপি প্রদানকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন কাজী জেবা তাহসিন (ইসলামের ইতিহাস), মোল্যা আবির (বাংলা), জান্নাতুল সাদিয়া (বোটানি), লাতিফুল খাবির ও জুলকিফল বর্ণ (ব্যবস্থাপনা) সহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা।