ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফরিদপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:২২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 135

পবিত্র ঘর আল্লাহর ঘর মসজিদ—যেখানে শান্তি ও ইবাদতের কথা, সেখানে আজ বেজে উঠেছে সংঘাতের দামামা! জুমার নামাজ আদায় ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের নগরকান্দায় মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় দুটি প্রভাবশালী পক্ষ। দফায় দফায় চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। জুমার পবিত্রতা ছাপিয়ে মিরাকান্দা পশ্চিমপাড়া এলাকা এখন রণক্ষেত্র।

ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায় মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৬) জুমার নামাজের পরপর শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরকান্দার মাতুব্বর গ্রুপের ওবায়দুর মাতুব্বর পক্ষের লোকজনের সঙ্গে শেখ গ্রুপের ইকবাল শেখের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার জুমার নামাজে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। কথা কাটাকাটি থেকে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। জুমার জামাকাপড় পরা অবস্থায় মসজিদের চত্বরে ও আশপাশের রাস্তায় শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।

পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ

খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ গণমাধ্যমকে জানান, “মসজিদে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে সেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফরিদপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০

আপডেট সময় : ০৯:২২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পবিত্র ঘর আল্লাহর ঘর মসজিদ—যেখানে শান্তি ও ইবাদতের কথা, সেখানে আজ বেজে উঠেছে সংঘাতের দামামা! জুমার নামাজ আদায় ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের নগরকান্দায় মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় দুটি প্রভাবশালী পক্ষ। দফায় দফায় চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। জুমার পবিত্রতা ছাপিয়ে মিরাকান্দা পশ্চিমপাড়া এলাকা এখন রণক্ষেত্র।

ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলায় মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৬) জুমার নামাজের পরপর শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরকান্দার মাতুব্বর গ্রুপের ওবায়দুর মাতুব্বর পক্ষের লোকজনের সঙ্গে শেখ গ্রুপের ইকবাল শেখের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার জুমার নামাজে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। কথা কাটাকাটি থেকে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। জুমার জামাকাপড় পরা অবস্থায় মসজিদের চত্বরে ও আশপাশের রাস্তায় শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।

পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ

খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ গণমাধ্যমকে জানান, “মসজিদে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে সেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”