ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতাকে প্রকাশ্যে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1040

যশোরে প্রকাশ্য দিবালোকে আলমগীর হোসেন নামে বিএনপির এক স্থানীয় নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি শংকরপুর ইসাহাক সড়ক এলাকার ইন্তাজ চৌধুরীর ছেলে।

যেভাবে ঘটল হত্যাকাণ্ড:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরের কার্যালয়ের সামনে বসে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে এসে তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে সরাসরি গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আলমগীর হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

উত্তেজনা ও নিরাপত্তা:

প্রকাশ্য এই হত্যাকাণ্ডের পর শংকরপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর পেয়ে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী হাসপাতালে ভিড় করছেন। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর পেছনে কারা জড়িত তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

মুঠোফোনের দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশকে, যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর মুমিনুল হক বলেন, আমরা শুনেছি শঙ্করপুর ইসহাক সড়কে স্থানীয় বিএনপির নেতাকে গুলি করা হয়েছে। তার মাথায় গুলি লেগেছে বলে জানতে পেরেছি। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানতে এবং আসামি আটকে চেষ্টা করছে।

বিএনপি নেতাকে প্রকাশ্যে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরে প্রকাশ্য দিবালোকে আলমগীর হোসেন নামে বিএনপির এক স্থানীয় নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি শংকরপুর ইসাহাক সড়ক এলাকার ইন্তাজ চৌধুরীর ছেলে।

যেভাবে ঘটল হত্যাকাণ্ড:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরের কার্যালয়ের সামনে বসে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে এসে তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে সরাসরি গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আলমগীর হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

উত্তেজনা ও নিরাপত্তা:

প্রকাশ্য এই হত্যাকাণ্ডের পর শংকরপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর পেয়ে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী হাসপাতালে ভিড় করছেন। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর পেছনে কারা জড়িত তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

মুঠোফোনের দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশকে, যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর মুমিনুল হক বলেন, আমরা শুনেছি শঙ্করপুর ইসহাক সড়কে স্থানীয় বিএনপির নেতাকে গুলি করা হয়েছে। তার মাথায় গুলি লেগেছে বলে জানতে পেরেছি। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানতে এবং আসামি আটকে চেষ্টা করছে।