ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার পদত্যাগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 669

ফরিদপুরের সালথা উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বুলবুল হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের খলিশাডুবি এলাকায় নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য:

প্রয়াত মোকসেদ মাস্টারের ছোট ছেলে বুলবুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “২০২২ সালে আমাকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আমি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছি। এই পদে থাকাকালীন আমি কখনও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল বা কোনো সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করিনি।”

স্বেচ্ছায় পদত্যাগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

পদত্যাগের কারণ হিসেবে বুলবুল হোসেন স্পষ্ট জানান, কোনো চাপ, প্রলোভন কিংবা ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে নয়, বরং সম্পূর্ণ সুস্থ মস্তিষ্কে ও স্বেচ্ছায় তিনি দল থেকে পদত্যাগ করছেন। ভবিষ্যতে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন কি না, সে বিষয়ে তিনি এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবারের সদস্য ছাড়াও স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সালথার রাজনৈতিক মহলে বুলবুল হোসেনের এই পদত্যাগ নিয়ে বেশ আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

ফরিদপুরে সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৬:২৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বুলবুল হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের খলিশাডুবি এলাকায় নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য:

প্রয়াত মোকসেদ মাস্টারের ছোট ছেলে বুলবুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “২০২২ সালে আমাকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আমি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছি। এই পদে থাকাকালীন আমি কখনও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল বা কোনো সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করিনি।”

স্বেচ্ছায় পদত্যাগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

পদত্যাগের কারণ হিসেবে বুলবুল হোসেন স্পষ্ট জানান, কোনো চাপ, প্রলোভন কিংবা ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে নয়, বরং সম্পূর্ণ সুস্থ মস্তিষ্কে ও স্বেচ্ছায় তিনি দল থেকে পদত্যাগ করছেন। ভবিষ্যতে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন কি না, সে বিষয়ে তিনি এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবারের সদস্য ছাড়াও স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সালথার রাজনৈতিক মহলে বুলবুল হোসেনের এই পদত্যাগ নিয়ে বেশ আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।