ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে রণক্ষেত্র: পুলিশ-সাংবাদিকসহ আহত শতাধিক

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 345

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ফুটবল খেলার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে চার গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবারের ঘটনার রেশ ধরে শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তুচ্ছ ঘটনা থেকে রণক্ষেত্র

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুদিন আগে মনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামে এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করার সময় প্রতিবেশী খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের কয়েকজন যুবক তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। পুলিশ রাতে পরিস্থিতি শান্ত করলেও শনিবার সকাল ৭টা থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, ঢাল ও সড়কি নিয়ে চার গ্রামের মানুষ পুনরায় মুখোমুখি অবস্থানে নামে।

মহাসড়কে ভয়াবহ তাণ্ডব

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনসুরাবাদ গ্রামের অধিবাসীরা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেন। অন্যদিকে খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের লোকজন হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে জড়ো হন। উভয় পক্ষ ঘরবাড়ির ছাদ ও দোকানের আড়াল থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল ও কাঁচের বোতল নিক্ষেপ করলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।

আহত ও বর্তমান পরিস্থিতি

সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্যসহ উভয় পক্ষের শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ তলব করা হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ফরিদপুরে রণক্ষেত্র: পুলিশ-সাংবাদিকসহ আহত শতাধিক

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ফুটবল খেলার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে চার গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবারের ঘটনার রেশ ধরে শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তুচ্ছ ঘটনা থেকে রণক্ষেত্র

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুদিন আগে মনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামে এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করার সময় প্রতিবেশী খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের কয়েকজন যুবক তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। পুলিশ রাতে পরিস্থিতি শান্ত করলেও শনিবার সকাল ৭টা থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, ঢাল ও সড়কি নিয়ে চার গ্রামের মানুষ পুনরায় মুখোমুখি অবস্থানে নামে।

মহাসড়কে ভয়াবহ তাণ্ডব

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনসুরাবাদ গ্রামের অধিবাসীরা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেন। অন্যদিকে খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের লোকজন হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে জড়ো হন। উভয় পক্ষ ঘরবাড়ির ছাদ ও দোকানের আড়াল থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল ও কাঁচের বোতল নিক্ষেপ করলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।

আহত ও বর্তমান পরিস্থিতি

সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্যসহ উভয় পক্ষের শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ তলব করা হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।