ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের শুভেচ্ছা ব্যানার টাঙানো নিয়ে গোলাগুলি, ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 353

চট্টগ্রামে ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ জিহাদ ১১ দিন পর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে নগরীর বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পরিচয় ও অনুসারী:

নিহত জিহাদ খুলশি থানার লালখান বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম শাহ আলমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পূর্বের সংঘর্ষ:

এর আগে ২১ মার্চ রাতে নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম শাহ আলম ও নগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় জিহাদ গুলিবিদ্ধ হন। 

চিকিৎসা ও মৃত্যু:

নিহতের পরিবারের সূত্র জানায়, সংঘর্ষের পর গুরুতর আহত জিহাদকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নগরীর বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে দুদিন আগে আইসিইউতে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।  

ব্যানার টাঙানো নিয়ে দ্বন্দ্ব:

এর আগে নগরীর জিইসি মোড় এলাকায় ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার টাঙানো নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের একপর্যায়ে কুমুসবাগ এলাকায় দুই গ্রুপ মুখোমুখি হয়। সেখানে উভয়পক্ষের গোলাগুলি হয়।

পুলিশের পদক্ষেপ:

গোলাগুলির ঘটনার পর সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে খুলশি থানার তৎকালীন ওসি মুজিবুর রহমানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

মামলা ও তদন্ত:

খুলশি থানার ওসি আফতার হোসেন জানান, বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন জিহাদ ১১ দিন পর ভোরে মারা গেছেন। ওই সংঘর্ষের ঘটনার পরদিনই আহতের এক পরিবার বাদী হয়ে ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে। মামলাটি এখন হত্যা মামলার ধারা সংযোজিত হবে।

ঈদের শুভেচ্ছা ব্যানার টাঙানো নিয়ে গোলাগুলি, ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:২৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

চট্টগ্রামে ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ জিহাদ ১১ দিন পর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে নগরীর বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পরিচয় ও অনুসারী:

নিহত জিহাদ খুলশি থানার লালখান বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম শাহ আলমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পূর্বের সংঘর্ষ:

এর আগে ২১ মার্চ রাতে নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম শাহ আলম ও নগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় জিহাদ গুলিবিদ্ধ হন। 

চিকিৎসা ও মৃত্যু:

নিহতের পরিবারের সূত্র জানায়, সংঘর্ষের পর গুরুতর আহত জিহাদকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নগরীর বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে দুদিন আগে আইসিইউতে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।  

ব্যানার টাঙানো নিয়ে দ্বন্দ্ব:

এর আগে নগরীর জিইসি মোড় এলাকায় ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার টাঙানো নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের একপর্যায়ে কুমুসবাগ এলাকায় দুই গ্রুপ মুখোমুখি হয়। সেখানে উভয়পক্ষের গোলাগুলি হয়।

পুলিশের পদক্ষেপ:

গোলাগুলির ঘটনার পর সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে খুলশি থানার তৎকালীন ওসি মুজিবুর রহমানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

মামলা ও তদন্ত:

খুলশি থানার ওসি আফতার হোসেন জানান, বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন জিহাদ ১১ দিন পর ভোরে মারা গেছেন। ওই সংঘর্ষের ঘটনার পরদিনই আহতের এক পরিবার বাদী হয়ে ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে। মামলাটি এখন হত্যা মামলার ধারা সংযোজিত হবে।