ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে জিয়া মঞ্চ সভাপতি!

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 312

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ১ নম্বর হরণী ইউনিয়নে জামসেদুল ইসলাম টুটুল নামে এক সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে জিয়া মঞ্চের সভাপতি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জিয়া মঞ্চের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে টুটুল সভাপতি

জানা গেছে, সম্প্রতি হরণী ইউনিয়ন শাখা জিয়া মঞ্চের ২০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিতে জামসেদুল ইসলাম টুটুলকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে তিনি একই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযোগ: ক্ষমতার অপব্যবহার ও দলের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ড

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় দলীয় নেতা-কর্মী অভিযোগ করেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগে দায়িত্ব পালনকালীন জামসেদুল ইসলাম টুটুল বিভিন্ন দলীয় সুবিধা গ্রহণ করেছেন। তিনি এলাকায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এক ধরনের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এমনকি বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের দমন-নিপীড়নেও তিনি অংশ নেন। তারা প্রশ্ন তোলেন, এমন একজন ব্যক্তি কীভাবে নিজেকে হঠাৎ করে বিএনপির লোক হিসেবে দাবি করে জিয়া মঞ্চের সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হতে পারেন?

টুটুলের বক্তব্য: আগেই আওয়ামী লীগ ত্যাগ, বিএনপির সঙ্গে পুরনো সম্পর্ক

অভিযোগের বিষয়ে জামসেদুল ইসলাম টুটুল বলেন, তার অসম্মতি সত্ত্বেও তাকে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। তিনি পরে লিখিতভাবে পদটি প্রত্যাখ্যান করেন। টুটুল দাবি করেন, তিনি হরণী ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে নানা ভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর নির্দেশে তাকে ‘নৌকার’ পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করা হয় বলে জানান তিনি।

জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক রহস্যজনক নীরবতা পালন

এই বিষয়ে জানতে নোয়াখালী জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মো. মনির হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলার কথা বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তার এই নীরবতাও অনেকের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে জিয়া মঞ্চ সভাপতি!

আপডেট সময় : ০৪:৪১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ১ নম্বর হরণী ইউনিয়নে জামসেদুল ইসলাম টুটুল নামে এক সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে জিয়া মঞ্চের সভাপতি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জিয়া মঞ্চের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে টুটুল সভাপতি

জানা গেছে, সম্প্রতি হরণী ইউনিয়ন শাখা জিয়া মঞ্চের ২০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিতে জামসেদুল ইসলাম টুটুলকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে তিনি একই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযোগ: ক্ষমতার অপব্যবহার ও দলের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ড

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় দলীয় নেতা-কর্মী অভিযোগ করেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগে দায়িত্ব পালনকালীন জামসেদুল ইসলাম টুটুল বিভিন্ন দলীয় সুবিধা গ্রহণ করেছেন। তিনি এলাকায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এক ধরনের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এমনকি বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের দমন-নিপীড়নেও তিনি অংশ নেন। তারা প্রশ্ন তোলেন, এমন একজন ব্যক্তি কীভাবে নিজেকে হঠাৎ করে বিএনপির লোক হিসেবে দাবি করে জিয়া মঞ্চের সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হতে পারেন?

টুটুলের বক্তব্য: আগেই আওয়ামী লীগ ত্যাগ, বিএনপির সঙ্গে পুরনো সম্পর্ক

অভিযোগের বিষয়ে জামসেদুল ইসলাম টুটুল বলেন, তার অসম্মতি সত্ত্বেও তাকে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। তিনি পরে লিখিতভাবে পদটি প্রত্যাখ্যান করেন। টুটুল দাবি করেন, তিনি হরণী ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে নানা ভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর নির্দেশে তাকে ‘নৌকার’ পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করা হয় বলে জানান তিনি।

জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক রহস্যজনক নীরবতা পালন

এই বিষয়ে জানতে নোয়াখালী জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মো. মনির হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলার কথা বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তার এই নীরবতাও অনেকের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।