ঢাকা ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে যৌথ অভিযান: বস্তি ও আবাসিক হোটেল থেকে আটক ২০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • / 522

ফরিদপুর শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত শহরের কুঠিবাড়ি রেলওয়ে বস্তি ও বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে এই অভিযান চালানো হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযানের বিবরণ:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে এই বিশেষ অভিযানে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের ২ নম্বর কুঠিবাড়ি রেলওয়ে বস্তি এবং বিভিন্ন সন্দেহভাজন আবাসিক হোটেলে তল্লাশি চালায় যৌথ বাহিনী। অভিযানে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন নারী ও পুরুষকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

কারাদণ্ড ও জেলহাজতে প্রেরণ:

আটককৃতদের মধ্যে শিমু, অঞ্জনা, তামান্না, মথুরা রানী মন্ডল ও রুনা বেগমসহ কয়েকজনকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানার ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হয়। আদালত তাদের প্রত্যেককে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, লিটন হোসেন, শাকিল আলম ও শরিফ আবিদ হোসেন দিনারসহ বাকিদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমানের আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। সাজা ঘোষণার পর সবাইকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনের কড়া অবস্থান:

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শহরের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চলার অভিযোগ ছিল। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধ নির্মূল করতে প্রশাসনের এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও এমন ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ফরিদপুরে যৌথ অভিযান: বস্তি ও আবাসিক হোটেল থেকে আটক ২০

আপডেট সময় : ০৪:১১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুর শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত শহরের কুঠিবাড়ি রেলওয়ে বস্তি ও বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে এই অভিযান চালানো হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযানের বিবরণ:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে এই বিশেষ অভিযানে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের ২ নম্বর কুঠিবাড়ি রেলওয়ে বস্তি এবং বিভিন্ন সন্দেহভাজন আবাসিক হোটেলে তল্লাশি চালায় যৌথ বাহিনী। অভিযানে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন নারী ও পুরুষকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

কারাদণ্ড ও জেলহাজতে প্রেরণ:

আটককৃতদের মধ্যে শিমু, অঞ্জনা, তামান্না, মথুরা রানী মন্ডল ও রুনা বেগমসহ কয়েকজনকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানার ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হয়। আদালত তাদের প্রত্যেককে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, লিটন হোসেন, শাকিল আলম ও শরিফ আবিদ হোসেন দিনারসহ বাকিদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমানের আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। সাজা ঘোষণার পর সবাইকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনের কড়া অবস্থান:

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শহরের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড চলার অভিযোগ ছিল। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধ নির্মূল করতে প্রশাসনের এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও এমন ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।