ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘মাদককে না বলি!’ মধুমতীর বুকে ১১ নৌকার তুমুল লড়াই, দুই পাড়ে হাজারো মানুষের ঢল

​শেখ সালমান আহমেদ, ফরিদপুরঃ
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 92

শরতের মিষ্টি রোদ আর নদীর বুকে ছলাৎ ছলাৎ বৈঠার তালে জল ছিটিয়ে এগিয়ে চলা সুসজ্জিত নৌকা—এমনই দৃশ্যপটে এক অপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মধুমতী নদী। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে ফেরাতে এবং আবহমান বাংলার হারিয়ে যাওয়া ক্রীড়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে নদীতে গড়ায় এই চোখধাঁধানো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় মধুমতী নদীর দুই পাড়ে সমবেত হাজার হাজার মানুষের আনন্দ-করতালির মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। গ্রামীণ ঐতিহ্যে সাজানো ফরিদপুর ও আশপাশের জেলা থেকে আগত মোট ১১টি ক্ষিপ্রগতির সুসজ্জিত নৌকা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আওয়াল আকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত।

শরতের মিষ্টি রোদ আর নদীর বুকে ছলাৎ ছলাৎ বৈঠার তালে জল ছিটিয়ে এগিয়ে চলা সুসজ্জিত নৌকা—এমনই দৃশ্যপটে এক অপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মধুমতী নদী। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে ফেরাতে এবং আবহমান বাংলার হারিয়ে যাওয়া ক্রীড়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে নদীতে গড়ায় এই চোখধাঁধানো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় মধুমতী নদীর দুই পাড়ে সমবেত হাজার হাজার মানুষের আনন্দ-করতালির মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। গ্রামীণ ঐতিহ্যে সাজানো ফরিদপুর ও আশপাশের জেলা থেকে আগত মোট ১১টি ক্ষিপ্রগতির সুসজ্জিত নৌকা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আওয়াল আকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত।

জনসমুদ্র মধুমতীর তীরে, অতিথি আসনে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচ উপভোগ করতে কেবল ফরিদপুর নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও দল বেঁধে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও নানা বয়সের মানুষ দুপুর থেকেই মধুমতী নদীর তীরে ভিড় জমাতে শুরু করেন। নদীর দুই পাড়ে সৃষ্টি হয় এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও পুরষ্কার বিতরণ করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায়, মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আলিম মানিক, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ হায়দার আলী মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন বিশ্বাস এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চাই’

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, "মাদক কেবল একটি তরুণকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাই পারে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে।"

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান।

সন্ধ্যায় আকাশ মাহমুদের সুরের মূর্ছনা

নৌকা বাইচের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে কামারখালী বাজারে আয়োজিত হয় এক জমজমাট মাদকবিরোধী কনসার্ট। এতে জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আকাশ মাহমুদ তাঁর সুমধুর কণ্ঠে একের পর এক জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। শিল্পীর মনমাতানো পরিবেশনায় উপস্থিত হাজারো দর্শক-শ্রোতা নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন, যার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজন।

জনসমুদ্র মধুমতীর তীরে, অতিথি আসনে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচ উপভোগ করতে কেবল ফরিদপুর নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও দল বেঁধে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও নানা বয়সের মানুষ দুপুর থেকেই মধুমতী নদীর তীরে ভিড় জমাতে শুরু করেন। নদীর দুই পাড়ে সৃষ্টি হয় এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও পুরষ্কার বিতরণ করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায়, মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আলিম মানিক, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ হায়দার আলী মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন বিশ্বাস এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চাই’

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, “মাদক কেবল একটি তরুণকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাই পারে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান।

সন্ধ্যায় আকাশ মাহমুদের সুরের মূর্ছনা

শরতের মিষ্টি রোদ আর নদীর বুকে ছলাৎ ছলাৎ বৈঠার তালে জল ছিটিয়ে এগিয়ে চলা সুসজ্জিত নৌকা—এমনই দৃশ্যপটে এক অপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মধুমতী নদী। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে ফেরাতে এবং আবহমান বাংলার হারিয়ে যাওয়া ক্রীড়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে নদীতে গড়ায় এই চোখধাঁধানো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় মধুমতী নদীর দুই পাড়ে সমবেত হাজার হাজার মানুষের আনন্দ-করতালির মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। গ্রামীণ ঐতিহ্যে সাজানো ফরিদপুর ও আশপাশের জেলা থেকে আগত মোট ১১টি ক্ষিপ্রগতির সুসজ্জিত নৌকা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আওয়াল আকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত।

জনসমুদ্র মধুমতীর তীরে, অতিথি আসনে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচ উপভোগ করতে কেবল ফরিদপুর নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও দল বেঁধে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও নানা বয়সের মানুষ দুপুর থেকেই মধুমতী নদীর তীরে ভিড় জমাতে শুরু করেন। নদীর দুই পাড়ে সৃষ্টি হয় এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও পুরষ্কার বিতরণ করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায়, মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আলিম মানিক, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ হায়দার আলী মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন বিশ্বাস এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চাই’

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, "মাদক কেবল একটি তরুণকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাই পারে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে।"

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান।

সন্ধ্যায় আকাশ মাহমুদের সুরের মূর্ছনা

নৌকা বাইচের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে কামারখালী বাজারে আয়োজিত হয় এক জমজমাট মাদকবিরোধী কনসার্ট। এতে জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আকাশ মাহমুদ তাঁর সুমধুর কণ্ঠে একের পর এক জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। শিল্পীর মনমাতানো পরিবেশনায় উপস্থিত হাজারো দর্শক-শ্রোতা নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন, যার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজন।

নৌকা বাইচের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে কামারখালী বাজারে আয়োজিত হয় এক জমজমাট মাদকবিরোধী কনসার্ট। এতে জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আকাশ মাহমুদ তাঁর সুমধুর কণ্ঠে একের পর এক জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। শিল্পীর মনমাতানো পরিবেশনায় উপস্থিত হাজারো দর্শক-শ্রোতা নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন, যার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজন।

‘মাদককে না বলি!’ মধুমতীর বুকে ১১ নৌকার তুমুল লড়াই, দুই পাড়ে হাজারো মানুষের ঢল

আপডেট সময় : ১০:০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

শরতের মিষ্টি রোদ আর নদীর বুকে ছলাৎ ছলাৎ বৈঠার তালে জল ছিটিয়ে এগিয়ে চলা সুসজ্জিত নৌকা—এমনই দৃশ্যপটে এক অপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মধুমতী নদী। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে ফেরাতে এবং আবহমান বাংলার হারিয়ে যাওয়া ক্রীড়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে নদীতে গড়ায় এই চোখধাঁধানো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় মধুমতী নদীর দুই পাড়ে সমবেত হাজার হাজার মানুষের আনন্দ-করতালির মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। গ্রামীণ ঐতিহ্যে সাজানো ফরিদপুর ও আশপাশের জেলা থেকে আগত মোট ১১টি ক্ষিপ্রগতির সুসজ্জিত নৌকা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আওয়াল আকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত।

শরতের মিষ্টি রোদ আর নদীর বুকে ছলাৎ ছলাৎ বৈঠার তালে জল ছিটিয়ে এগিয়ে চলা সুসজ্জিত নৌকা—এমনই দৃশ্যপটে এক অপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মধুমতী নদী। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে ফেরাতে এবং আবহমান বাংলার হারিয়ে যাওয়া ক্রীড়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে নদীতে গড়ায় এই চোখধাঁধানো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় মধুমতী নদীর দুই পাড়ে সমবেত হাজার হাজার মানুষের আনন্দ-করতালির মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। গ্রামীণ ঐতিহ্যে সাজানো ফরিদপুর ও আশপাশের জেলা থেকে আগত মোট ১১টি ক্ষিপ্রগতির সুসজ্জিত নৌকা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আওয়াল আকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত।

জনসমুদ্র মধুমতীর তীরে, অতিথি আসনে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচ উপভোগ করতে কেবল ফরিদপুর নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও দল বেঁধে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও নানা বয়সের মানুষ দুপুর থেকেই মধুমতী নদীর তীরে ভিড় জমাতে শুরু করেন। নদীর দুই পাড়ে সৃষ্টি হয় এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও পুরষ্কার বিতরণ করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায়, মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আলিম মানিক, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ হায়দার আলী মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন বিশ্বাস এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চাই’

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, "মাদক কেবল একটি তরুণকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাই পারে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে।"

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান।

সন্ধ্যায় আকাশ মাহমুদের সুরের মূর্ছনা

নৌকা বাইচের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে কামারখালী বাজারে আয়োজিত হয় এক জমজমাট মাদকবিরোধী কনসার্ট। এতে জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আকাশ মাহমুদ তাঁর সুমধুর কণ্ঠে একের পর এক জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। শিল্পীর মনমাতানো পরিবেশনায় উপস্থিত হাজারো দর্শক-শ্রোতা নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন, যার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজন।

জনসমুদ্র মধুমতীর তীরে, অতিথি আসনে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচ উপভোগ করতে কেবল ফরিদপুর নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও দল বেঁধে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও নানা বয়সের মানুষ দুপুর থেকেই মধুমতী নদীর তীরে ভিড় জমাতে শুরু করেন। নদীর দুই পাড়ে সৃষ্টি হয় এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও পুরষ্কার বিতরণ করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায়, মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আলিম মানিক, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ হায়দার আলী মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন বিশ্বাস এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চাই’

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, “মাদক কেবল একটি তরুণকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাই পারে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান।

সন্ধ্যায় আকাশ মাহমুদের সুরের মূর্ছনা

শরতের মিষ্টি রোদ আর নদীর বুকে ছলাৎ ছলাৎ বৈঠার তালে জল ছিটিয়ে এগিয়ে চলা সুসজ্জিত নৌকা—এমনই দৃশ্যপটে এক অপূর্ব মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মধুমতী নদী। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে ফেরাতে এবং আবহমান বাংলার হারিয়ে যাওয়া ক্রীড়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে নদীতে গড়ায় এই চোখধাঁধানো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় মধুমতী নদীর দুই পাড়ে সমবেত হাজার হাজার মানুষের আনন্দ-করতালির মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। গ্রামীণ ঐতিহ্যে সাজানো ফরিদপুর ও আশপাশের জেলা থেকে আগত মোট ১১টি ক্ষিপ্রগতির সুসজ্জিত নৌকা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আওয়াল আকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত।

জনসমুদ্র মধুমতীর তীরে, অতিথি আসনে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচ উপভোগ করতে কেবল ফরিদপুর নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও দল বেঁধে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও নানা বয়সের মানুষ দুপুর থেকেই মধুমতী নদীর তীরে ভিড় জমাতে শুরু করেন। নদীর দুই পাড়ে সৃষ্টি হয় এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও পুরষ্কার বিতরণ করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায়, মধুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আলিম মানিক, মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ হায়দার আলী মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন বিশ্বাস এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চাই’

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, "মাদক কেবল একটি তরুণকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাই পারে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে।"

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলা ও গঠনমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকার আহ্বান জানান।

সন্ধ্যায় আকাশ মাহমুদের সুরের মূর্ছনা

নৌকা বাইচের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে কামারখালী বাজারে আয়োজিত হয় এক জমজমাট মাদকবিরোধী কনসার্ট। এতে জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আকাশ মাহমুদ তাঁর সুমধুর কণ্ঠে একের পর এক জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। শিল্পীর মনমাতানো পরিবেশনায় উপস্থিত হাজারো দর্শক-শ্রোতা নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন, যার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজন।

নৌকা বাইচের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে কামারখালী বাজারে আয়োজিত হয় এক জমজমাট মাদকবিরোধী কনসার্ট। এতে জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আকাশ মাহমুদ তাঁর সুমধুর কণ্ঠে একের পর এক জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। শিল্পীর মনমাতানো পরিবেশনায় উপস্থিত হাজারো দর্শক-শ্রোতা নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন, যার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজন।