ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের শীর্ষ সাংবাদিকের ছবি এআই দিয়ে বিকৃত: থানায় হারুন আনসারী

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 505

তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (AI) অস্ত্র বানিয়ে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও চরিত্রহননের এক নতুন নগ্ন চক্রান্ত শুরু হয়েছে ফরিদপুরে! বাংলাভিশন টেলিভিশন ও দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি এবং ‘দৈনিক অগ্নিপ্রহর’ পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ হারুন আনসারী (৪৯)-এর ছবি এআই প্রযুক্তির সাহায্যে অত্যন্ত আপত্তিকর ও বিকৃতভাবে তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পুলিশের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, অদ্য রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিচরণকালে মোহাম্মদ হারুন আনসারীর নজরে আসে যে, ‘Anisur Rahman’ নামের একটি ফেসবুক আইডি/পেজ থেকে তাঁর একটি ব্যক্তিগত ছবি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কুৎসিত, আপত্তিকর ও বিকৃত রূপ দিয়ে পোস্ট করা হয়েছে।

সুচিন্তিতভাবে তৈরি করা ওই পোস্টটির মাধ্যমে কেবল একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনই নয়, বরং একজন প্রবীণ সাংবাদিক ও সম্পাদকের দীর্ঘদিনের অর্জিত সামাজিক সুনাম ও পেশাগত ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সাইবার অপরাধের ফাঁদে ভুক্তভোগী সম্পাদক

তীব্র মানসিক যাতনা ও সামাজিক হেনস্তার মুখে পড়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোহাম্মদ হারুন আনসারী জানান, “দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত আছি। কিন্তু একটি অজ্ঞাত অপরাধী চক্র এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে আমার ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে মানহানি করছে। আমি আশঙ্কাজনকভাবে বোধ করছি যে, এই চক্রটি ভবিষ্যতে আমার আরও বড় ধরনের সামাজিক, পেশাগত ও আইনি ক্ষতি সাধন করতে পারে।”

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডি/পেজের মূল লিংক এবং বিকৃত পোস্টটির স্ক্রিনশট ইতোমধ্যে প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন নিরাপত্তার স্বার্থে ডায়েরিভুক্ত (জিডি) করতে এবং অপরাধচক্রটিকে শনাক্ত করে আইনি ধারায় শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরের শীর্ষ সাংবাদিকের ছবি এআই দিয়ে বিকৃত: থানায় হারুন আনসারী

আপডেট সময় : ০২:১৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (AI) অস্ত্র বানিয়ে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও চরিত্রহননের এক নতুন নগ্ন চক্রান্ত শুরু হয়েছে ফরিদপুরে! বাংলাভিশন টেলিভিশন ও দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি এবং ‘দৈনিক অগ্নিপ্রহর’ পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ হারুন আনসারী (৪৯)-এর ছবি এআই প্রযুক্তির সাহায্যে অত্যন্ত আপত্তিকর ও বিকৃতভাবে তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পুলিশের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, অদ্য রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিচরণকালে মোহাম্মদ হারুন আনসারীর নজরে আসে যে, ‘Anisur Rahman’ নামের একটি ফেসবুক আইডি/পেজ থেকে তাঁর একটি ব্যক্তিগত ছবি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কুৎসিত, আপত্তিকর ও বিকৃত রূপ দিয়ে পোস্ট করা হয়েছে।

সুচিন্তিতভাবে তৈরি করা ওই পোস্টটির মাধ্যমে কেবল একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনই নয়, বরং একজন প্রবীণ সাংবাদিক ও সম্পাদকের দীর্ঘদিনের অর্জিত সামাজিক সুনাম ও পেশাগত ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সাইবার অপরাধের ফাঁদে ভুক্তভোগী সম্পাদক

তীব্র মানসিক যাতনা ও সামাজিক হেনস্তার মুখে পড়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোহাম্মদ হারুন আনসারী জানান, “দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত আছি। কিন্তু একটি অজ্ঞাত অপরাধী চক্র এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে আমার ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে মানহানি করছে। আমি আশঙ্কাজনকভাবে বোধ করছি যে, এই চক্রটি ভবিষ্যতে আমার আরও বড় ধরনের সামাজিক, পেশাগত ও আইনি ক্ষতি সাধন করতে পারে।”

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডি/পেজের মূল লিংক এবং বিকৃত পোস্টটির স্ক্রিনশট ইতোমধ্যে প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন নিরাপত্তার স্বার্থে ডায়েরিভুক্ত (জিডি) করতে এবং অপরাধচক্রটিকে শনাক্ত করে আইনি ধারায় শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে।