ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইফতারে বেঁচে যাওয়া কমলা খাওয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে হাত-পা বেঁধে পেটালেন শিক্ষক

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 209

ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ইফতারের বেঁচে যাওয়া দুই কোয়া কমলা খাওয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে হাত-পা বেঁধে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মথুরাপুর আদর্শ ইয়াতিমখানায় এই ঘটনা ঘটে।

ছাত্রের অবস্থা ও চিকিৎসা:

বুধবার দুপুরে কিশোর ছাত্রটিকে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের পরিচয় ও পলায়ন:

নির্যাতনকারী শিক্ষকের নাম হাফেজ ইমরান হাওলাদার। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

নির্যাতনের কারণ ও এলাকাবাসীর ক্ষোভ:

সোমবার এক ব্যক্তি এতিমখানায় শিশু-কিশোরদের জন্য ইফতারের আয়োজন করেন। ইফতার শেষে কয়েকটি কমলা বেঁচে যায়। সেখান থেকে কিশোর ছাত্র দুই কোয়া কমলা খেয়ে ফেলে। এই কারণে শিক্ষক হাফেজ ইমরান হাওলাদার ওই ছাত্রকে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

 এতিমখানা কমিটির পদক্ষেপ:

এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আলাউদ্দিন জানান, শিক্ষক ইমরান পালিয়ে যাওয়ার আগেই কমিটি বৈঠকে বসে তাকে সাময়িকভাবে চাকরিচ্যুত করেছে। নির্যাতিত ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের ভূমিকা:

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে।

 প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা:

নির্যাতিত ছাত্রের সহপাঠীরা জানায়, লাঠি দিয়ে পেটানোর কারণে তার শরীরে লাল লাল দাগ পড়ে গেছে।

ইফতারে বেঁচে যাওয়া কমলা খাওয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে হাত-পা বেঁধে পেটালেন শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ইফতারের বেঁচে যাওয়া দুই কোয়া কমলা খাওয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে হাত-পা বেঁধে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মথুরাপুর আদর্শ ইয়াতিমখানায় এই ঘটনা ঘটে।

ছাত্রের অবস্থা ও চিকিৎসা:

বুধবার দুপুরে কিশোর ছাত্রটিকে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের পরিচয় ও পলায়ন:

নির্যাতনকারী শিক্ষকের নাম হাফেজ ইমরান হাওলাদার। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

নির্যাতনের কারণ ও এলাকাবাসীর ক্ষোভ:

সোমবার এক ব্যক্তি এতিমখানায় শিশু-কিশোরদের জন্য ইফতারের আয়োজন করেন। ইফতার শেষে কয়েকটি কমলা বেঁচে যায়। সেখান থেকে কিশোর ছাত্র দুই কোয়া কমলা খেয়ে ফেলে। এই কারণে শিক্ষক হাফেজ ইমরান হাওলাদার ওই ছাত্রকে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

 এতিমখানা কমিটির পদক্ষেপ:

এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আলাউদ্দিন জানান, শিক্ষক ইমরান পালিয়ে যাওয়ার আগেই কমিটি বৈঠকে বসে তাকে সাময়িকভাবে চাকরিচ্যুত করেছে। নির্যাতিত ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের ভূমিকা:

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে।

 প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা:

নির্যাতিত ছাত্রের সহপাঠীরা জানায়, লাঠি দিয়ে পেটানোর কারণে তার শরীরে লাল লাল দাগ পড়ে গেছে।