দল বদলের জাদুকর!আওয়ামী লীগ, বাকশাল, জাতীয় পার্টি, বিএনপি ছুঁয়ে এবার ‘জনতার পার্টিতে আবু জাফর
- আপডেট সময় : ০১:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
- / 325
ফরিদপুর-১ আসনের (আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, মধুখালী) সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর আবারও নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দিলেন। সর্বশেষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের (বিএনএম) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে তিনি ‘জনতার পার্টি বাংলাদেশে’র উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
বিএনপি ছেড়ে বিএনএম, এবার ‘জনতার পার্টি বাংলাদেশ’
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি ছেড়ে বিএনএম-এ যোগ দেন শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। এর আগে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে ‘জনতার পার্টি বাংলাদেশ’-এর আত্মপ্রকাশের ঘোষণা আসে। দলের স্লোগান: ‘গড়বো মোরা ইনসাফের দেশ’।
নেতৃত্বে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ও শওকত মাহমুদ
দলটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। মহাসচিব হয়েছেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ। অনুষ্ঠানে শওকত মাহমুদ দলের নাম ও ইশতেহার পাঠ করেন, আর ইলিয়াস কাঞ্চন ঘোষণা করেন ২৭ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি।
ঘোষিত ২৭ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি
ঘোষিত কমিটিতে ইলিয়াস কাঞ্চন চেয়ারম্যান, নির্বাহী চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র গোলাম সারোয়ার মিলন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন রফিকুল হক হাফিজ, ওয়ালিউর রহমান খান, রেহানা সালাম, মো. আবদুল্লাহ, এম এ ইউসুফ ও নির্মল চক্রবর্তী। সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এম আসাদুজ্জামান এবং যুগ্ম মহাসচিব এ বি এম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, আল আমিন রাজু ও নাজমুল আহসান।
সমন্বয়কারী নুরুল কাদের সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ আহমেদ, প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক গুলজার হোসেন এবং প্রচার সম্পাদক হাসিবুর রেজা কল্লোল।
সম্মানিত সদস্য হিসেবে মেজর (অব.) ইমরান ও কর্নেল (অব.) সাব্বির এবং উপদেষ্টা হিসেবে শাহ মো. আবু জাফর ছাড়াও আছেন মেজর (অব.) মুজিব, ইকবাল হোসেন মাহমুদ, ডা. ফরহাদ হোসেন মাহবুব, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, আউয়াল ঠাকুর, তৌহিদা ফারুকী ও মামুনুর রশীদ।
শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার
১৯৬৯ ও ১৯৭০ সালে বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মুজিব বাহিনীর স্থানীয় কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৯ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ফরিদপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হন। ২০০৫ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এ পর্যন্ত তিনি ৯ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, যা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার সাক্ষ্য বহন করে।

























