ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মসজিদে হামলা: আওয়ামী লীগ নেতার হাতে ইমামপুত্র লাঞ্ছিত, ককটেল বিস্ফোরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 183

চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর আলী মসজিদে মাগরিবের নামাজ না পেয়ে ইমামের ছেলেকে পিটিয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) মাগরিবের নামাজের পর সদর উপজেলার চরবাগডাঙা ইউনিয়নের গিধনি পাড়া ওয়াক্তিয়া মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ও চিকিৎসা:

আহত ব্যক্তি হলেন একই এলাকার সোলেমান বিশ্বাসের ছেলে মো. রুহুল আমিন (৬২)। তাকে বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশের ভূমিকা:

এদিকে, এ ঘটনার পরপরই চরবাগডাঙা এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহত রুহুল আমিনের ভাষ্য:

আহত রুহুল আমিন বলেন, “বৃদ্ধ বাবা অনুপস্থিত থাকায় আমি মাগরিবের আজান দিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে মুসল্লিদের অনুমতি নিয়ে নামাজ পড়ানো শুরু করি। নামাজে বিলম্বে মসজিদে আসেন আওয়ামী লীগ নেতা ওমর আলী। এসেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করেন। নামাজ শেষে একপর্যায়ে আমার ওপর হাসুয়া নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করেন।”

অভিযোগ ও আইনি পদক্ষেপ:

রুহুল আমিনের ভাই ইমদাদুল হক বলেন, “ইফতার শেষে মসজিদের অন্য মুসল্লিদের অনুমতি নিয়েই নামাজ শুরু করা হয়। এরপরেও ওমর আলী তার ভাইদের নিয়ে হামলা চালায়। এতে তার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হবে।” সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমান বলেন, “এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনাটি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযুক্তের বক্তব্য:

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা ওমর আলী বলেন, “শুধু বকাবকি করা হয়েছে, মারধর করা হয়নি।”

মসজিদে হামলা: আওয়ামী লীগ নেতার হাতে ইমামপুত্র লাঞ্ছিত, ককটেল বিস্ফোরণ

আপডেট সময় : ১১:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর আলী মসজিদে মাগরিবের নামাজ না পেয়ে ইমামের ছেলেকে পিটিয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) মাগরিবের নামাজের পর সদর উপজেলার চরবাগডাঙা ইউনিয়নের গিধনি পাড়া ওয়াক্তিয়া মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ও চিকিৎসা:

আহত ব্যক্তি হলেন একই এলাকার সোলেমান বিশ্বাসের ছেলে মো. রুহুল আমিন (৬২)। তাকে বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশের ভূমিকা:

এদিকে, এ ঘটনার পরপরই চরবাগডাঙা এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহত রুহুল আমিনের ভাষ্য:

আহত রুহুল আমিন বলেন, “বৃদ্ধ বাবা অনুপস্থিত থাকায় আমি মাগরিবের আজান দিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে মুসল্লিদের অনুমতি নিয়ে নামাজ পড়ানো শুরু করি। নামাজে বিলম্বে মসজিদে আসেন আওয়ামী লীগ নেতা ওমর আলী। এসেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করেন। নামাজ শেষে একপর্যায়ে আমার ওপর হাসুয়া নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করেন।”

অভিযোগ ও আইনি পদক্ষেপ:

রুহুল আমিনের ভাই ইমদাদুল হক বলেন, “ইফতার শেষে মসজিদের অন্য মুসল্লিদের অনুমতি নিয়েই নামাজ শুরু করা হয়। এরপরেও ওমর আলী তার ভাইদের নিয়ে হামলা চালায়। এতে তার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হবে।” সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমান বলেন, “এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনাটি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযুক্তের বক্তব্য:

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা ওমর আলী বলেন, “শুধু বকাবকি করা হয়েছে, মারধর করা হয়নি।”