ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরভদ্রাসন পদ্মার চরে ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করলেন ইউএনও

চরভদ্রাসন প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 121

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে একটি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করেছেন। উপজেলা পদ্মা নদীর অপর পারে চর হরিরামপুর ইউনিয়নের ভাটি শালেপুর গ্রামে পদ্মা পারের ফরিদ মোল্লার (৪৮) ড্রেজার মেশিনটি ধ্বংস করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় পদ্মা পারে স্থাপিত ড্রেজার মেশিনটি ভাঙচুর করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় এবং ড্রেজার মেশিনের প্রায় এক হাজার মিটার পাইপ লাইন ধ্বংস করা হয়।

 অভিযানের দল ও সময়:

এ অভিযানে অন্যরা হলেন- চরভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, ইউএনও অফিস সহায়ক মোঃ ইব্রাহিম, তিন পুলিশ কনস্টেবল ও তিন আনসার সদস্য। কিছুদিন ধরে ভাঙন কবলিত উক্ত পদ্মা পারে ফরিদ মোল্লা নামক একজন বালু ব্যবসায়ী অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছিল। এ খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওইদিন ভোররাতে পদ্মা নদী পার হয়ে পায়ে হেঁটে দুর্গম চরের ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

 অভিযুক্তের বক্তব্য ও অভিযোগ:

সাত সকালে চরাঞ্চলে ইউএনও আগমনের টের পেয়ে ড্রেজার মালিক ও চালকসহ সবাই গা ঢাকা দেয়। ফলে অভিযানে কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে অবৈধ ড্রেজার মেশিনসহ বালু সরবরাহের পাইপ লাইন ধ্বংস করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উক্ত ড্রেজার মালিক ফরিদ মোল্লা মুঠোফোনে জানায়, “পদ্মার চরে আমার ড্রেজার মেশিনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাসুদ খান ও আঞ্জু শেখের আরও দু’টি ড্রেজার মেশিন রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন রহস্যজনকভাবে বার বার শুধু আমার ড্রেজার মেশিনই ধ্বংস করে চলেছেন। অন্যান্য অবৈধ ড্রেজার গুলোর উপর প্রশাসনের কোনোও নজরদারি নাই”।

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:

এই অভিযানে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

চরভদ্রাসন পদ্মার চরে ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করলেন ইউএনও

আপডেট সময় : ০৫:২২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে একটি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করেছেন। উপজেলা পদ্মা নদীর অপর পারে চর হরিরামপুর ইউনিয়নের ভাটি শালেপুর গ্রামে পদ্মা পারের ফরিদ মোল্লার (৪৮) ড্রেজার মেশিনটি ধ্বংস করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় পদ্মা পারে স্থাপিত ড্রেজার মেশিনটি ভাঙচুর করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় এবং ড্রেজার মেশিনের প্রায় এক হাজার মিটার পাইপ লাইন ধ্বংস করা হয়।

 অভিযানের দল ও সময়:

এ অভিযানে অন্যরা হলেন- চরভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, ইউএনও অফিস সহায়ক মোঃ ইব্রাহিম, তিন পুলিশ কনস্টেবল ও তিন আনসার সদস্য। কিছুদিন ধরে ভাঙন কবলিত উক্ত পদ্মা পারে ফরিদ মোল্লা নামক একজন বালু ব্যবসায়ী অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছিল। এ খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওইদিন ভোররাতে পদ্মা নদী পার হয়ে পায়ে হেঁটে দুর্গম চরের ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

 অভিযুক্তের বক্তব্য ও অভিযোগ:

সাত সকালে চরাঞ্চলে ইউএনও আগমনের টের পেয়ে ড্রেজার মালিক ও চালকসহ সবাই গা ঢাকা দেয়। ফলে অভিযানে কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে অবৈধ ড্রেজার মেশিনসহ বালু সরবরাহের পাইপ লাইন ধ্বংস করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উক্ত ড্রেজার মালিক ফরিদ মোল্লা মুঠোফোনে জানায়, “পদ্মার চরে আমার ড্রেজার মেশিনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাসুদ খান ও আঞ্জু শেখের আরও দু’টি ড্রেজার মেশিন রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন রহস্যজনকভাবে বার বার শুধু আমার ড্রেজার মেশিনই ধ্বংস করে চলেছেন। অন্যান্য অবৈধ ড্রেজার গুলোর উপর প্রশাসনের কোনোও নজরদারি নাই”।

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:

এই অভিযানে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।