তিন দফা দাবী আদায়ে দারুল আরকাম শিক্ষক পরিষদের
- আপডেট সময় : ০৭:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
- / 603
ইসলামিক ফাউণ্ডেশন পরিচালিত দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকদের বকেয়া বেতন-বোনাসসহ ৩ দফা দাবীতে মানববন্ধন ও ডিজি রবাবর স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার বিকালে ফরিদপুর জেলা কমিটির সভাপতি মুফতি বেলায়েত হুসাইন ও যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা ইমদাদুল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
এর আগে সারা দেশের শিক্ষকবৃন্দ ঢাকার আগারগাঁও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন প্রধান কর্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। পরে তারা ডিজি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসা প্রতিটি উপজেলায় ২ টি করে মোট ১০১০ টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা রয়েছে। ২০২০ শিক্ষাবর্ষে এই প্রকল্পটিকে “দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসা স্থাপন ও পরিচালনা শীর্ষক প্রকল্প” নামে আলাদা প্রকল্প করা হয়।।২০২১ইং হতে ২০২৪ইং প্রকল্পের (১ম পর্যায়) সমাপ্ত হলেও অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুযায়ী ইবতেদায়ী ১ম শ্রেণি হতে ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত সুনামের সহিত শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অফিস সহায়ক কর্মীগণ নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০২৪ইং সালের জুন মাসে প্রকল্পের ডিপিপি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলেও প্রকল্প পরবর্তী (২য় পর্যায়) অনুমোদন না হওয়ায় গত জানুয়ারী-২০২৫ইং হতে অদ্যাবধি কর্মরত ৩ হাজার ৩০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অফিস সহায়ক কর্মী বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। লক্ষ লক্ষ অভিভাবক, শিক্ষার্থী, জমিদাতা ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যাগণ হতাশার মধ্যে আছেন। দ্রুত প্রকল্প পাশ করে শিক্ষক -শিক্ষিকা ও সহায়ক কর্মীদের বেতন ভাতা বোনাস পরিশোধের দাবী জানান।
এবং দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসা পরিচালনা ও সু-সংহত করণ প্রকল্প (২য় পর্যায়) পূর্বের ন্যায় ৫ ম শ্রেণি পর্যন্ত বহাল রেখে দ্রুত অনুমোদন করা। বিদ্যমান শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অফিস সহায়ক কর্মীগণকে প্রকল্পের ২য় পর্যায়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়োগ বহাল করা।ঈদুল আযহার আগেে শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের ৫ মাসের বেতন-বোনাসসহ বকেয়া পরিশোধ করার দাবী জানান। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ন্যায় সমমান গ্রেড দাবী করেন তারা।
স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন করার সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক পরিকল্পনা বিভাগ বজলুর রশিদ, বাংলাদেশ দারুল আরকাম শিক্ষক পরিষদের আহবায়ক আসাদুল্লাহ গালিব, মুফতি বেলায়েত হুসাইন, হুসাইন আহমেদ, আনাস মাহমুদ,আবু উবায়দা,নইমদাদুল্লাহ,শহিদুল ইসলাম ও অর্থ সম্পাদক হাফিজুর রহমান সহ প্রতিজেলার নেতৃবৃন্দ। অন্যান্য সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ আরও অনেকে।
কর্মসূচি বাস্তবায়নে ছিলেনঃ আসাদুল্লাহ গালিব,মুফতি বেলায়েত হুসাইন, মাওঃ দেলোয়ার,মিজানুর রহমান, জিল্লুর রহমান,আনাস, হাফিজুর রহমান, ইমদাদুল্লাহ সহ জেলা নেতৃবৃন্দ।











