ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ ও তিন খুনের আসামি ঘুরে বেড়াচ্ছে, ভয়ে বাদী

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 185

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সাহেদল ইউনিয়নের বাসুর চর গ্রামে ১১ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে শ্বাসরোধে তিন তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। ২০২৩ সালের ঘটনা এটি।

নিহত ও অভিযোগ:

সৌদিপ্রবাসী মঞ্জিল মিয়ার বাড়িতে তাঁর স্ত্রী তাছলিমা আক্তার (৩৫), দুই মেয়ে মোহনা আক্তার (১১) ও বন্যা আক্তারকে (৭) নিয়ে থাকতেন। ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর সকালে তিনজনেরই লাশ পাওয়া যায় দুটি বিছানায়।

পুলিশের তদন্ত ও অভিযোগপত্র:

মামলাটির মূল তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন হোসেনপুর থানার তৎকালীন ওসি আসাদুজ্জামান টিটু। তিনি জানান, আসামি জাহাঙ্গীর আলমের হাতে অনেকগুলো নখের আঁচড় পাওয়া যায়। সিআইডির সহযোগিতায় নিহত তিনজনের নখের নমুনা ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে জাহাঙ্গীরের আঁচড়ের নমুনা আলামত সংগ্রহ করা হয়। পরে মিলিয়ে দেখা যায়, নিহত তিনজনের নখের মধ্যে জাহাঙ্গীরের ডিএনএ নমুনা পাওয়া গেছে। এতে নিশ্চিত হওয়া যায়, জাহাঙ্গীরই ওই তিন হত্যায় জড়িত। এরপর জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

আসামির জামিন ও পরিবারের আতঙ্ক:

মামলার বাদী কবিরুল ইসলাম নয়ন অভিযোগ করে বলেন, “আমার বোন এবং ভাগনিকে হত্যাকারী জাহাঙ্গীর হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছে। প্রায়ই জাহাঙ্গীর আমার সামনে এসে ঘোরাঘুরি করে। আমি তখন ভয় পেয়ে চলে যাই। যদি কোনো ক্ষতি করে ফেলে আমার! আমাকে প্রায়ই হুমকি দেয় এবং লোকজন ধরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখায়। আমি আমার বোন এবং ভাগনির সঙ্গে যা ঘটেছে, তার বিচার চাই।”

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:

এ ঘটনায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত আসামির জামিন বাতিল করে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

ধর্ষণ ও তিন খুনের আসামি ঘুরে বেড়াচ্ছে, ভয়ে বাদী

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সাহেদল ইউনিয়নের বাসুর চর গ্রামে ১১ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে শ্বাসরোধে তিন তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। ২০২৩ সালের ঘটনা এটি।

নিহত ও অভিযোগ:

সৌদিপ্রবাসী মঞ্জিল মিয়ার বাড়িতে তাঁর স্ত্রী তাছলিমা আক্তার (৩৫), দুই মেয়ে মোহনা আক্তার (১১) ও বন্যা আক্তারকে (৭) নিয়ে থাকতেন। ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর সকালে তিনজনেরই লাশ পাওয়া যায় দুটি বিছানায়।

পুলিশের তদন্ত ও অভিযোগপত্র:

মামলাটির মূল তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন হোসেনপুর থানার তৎকালীন ওসি আসাদুজ্জামান টিটু। তিনি জানান, আসামি জাহাঙ্গীর আলমের হাতে অনেকগুলো নখের আঁচড় পাওয়া যায়। সিআইডির সহযোগিতায় নিহত তিনজনের নখের নমুনা ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে জাহাঙ্গীরের আঁচড়ের নমুনা আলামত সংগ্রহ করা হয়। পরে মিলিয়ে দেখা যায়, নিহত তিনজনের নখের মধ্যে জাহাঙ্গীরের ডিএনএ নমুনা পাওয়া গেছে। এতে নিশ্চিত হওয়া যায়, জাহাঙ্গীরই ওই তিন হত্যায় জড়িত। এরপর জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

আসামির জামিন ও পরিবারের আতঙ্ক:

মামলার বাদী কবিরুল ইসলাম নয়ন অভিযোগ করে বলেন, “আমার বোন এবং ভাগনিকে হত্যাকারী জাহাঙ্গীর হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছে। প্রায়ই জাহাঙ্গীর আমার সামনে এসে ঘোরাঘুরি করে। আমি তখন ভয় পেয়ে চলে যাই। যদি কোনো ক্ষতি করে ফেলে আমার! আমাকে প্রায়ই হুমকি দেয় এবং লোকজন ধরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখায়। আমি আমার বোন এবং ভাগনির সঙ্গে যা ঘটেছে, তার বিচার চাই।”

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:

এ ঘটনায় এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত আসামির জামিন বাতিল করে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।