ন্যূনতম মজুরি: মালিকপক্ষের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি
- আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০২৩
- / 168
দেশের পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা করার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মজুরি বাড়ানোর লক্ষ্যে গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের ষষ্ঠ সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন।
এর আগে মজুরি বোর্ডের সভায় শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেয় মালিকপক্ষ। পরে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। সভায় অংশ নেওয়া শ্রমিক প্রতিনিধিও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই আমরা এটা ঘোষণা করছি। ন্যূনতম মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে। ৮ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা হবে। সঙ্গে বছরে পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট থাকবে।
এর আগে দুপুর ১২টায় শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত হন। এছাড়া মালিক পক্ষের প্রতিনিধিরা আসেন ১২টা ১০ মিনিটে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে শুরু হয়। দুপুর দেড়টায় বৈঠকটি শেষ হয়।
গত ১ নভেম্বর পঞ্চম সভায় মজুরি বোর্ডে শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ২০ হাজার ৩৯৪ টাকার প্রস্তাব করেন। অপরদিকে মজুরি বোর্ডে পোশাক কারখানার মালিকদের প্রতিনিধি সিদ্দিকুর রহমান ন্যূনতম মজুরি ১০ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেন। উভয়পক্ষ প্রস্তাবনায় তাদের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।
এদিকে শ্রমিকদের বেতন ২৫ হাজার করার দাবিতে আন্দোলন করছে মজুরি বৃদ্ধিতে গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্পরক্ষা জাতীয় মঞ্চ, গার্মেন্টস ওয়াকার্স এলায়েন্স, বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য মঞ্চ, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।




















