ঢাকা ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ নেতা পালানোর ঘটনায় ওসি স্ট্যান্ড রিলিজ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 1142

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানা থেকে আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দিন পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। সোমবার (১২ মে) রাতে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

আটক থেকে পালানো, তারপর ফের গ্রেপ্তার

এর আগে দুপুরে নাসির উদ্দিনকে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাকাইল সড়কে তার নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি কৌশলে থানা থেকে পালিয়ে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গোপালগঞ্জ থেকে আবার ধরে আনে।

আত্মসমর্পণ না গ্রেপ্তার? দুইপক্ষের ভিন্ন দাবি

নাসির উদ্দিনের ছোট ভাই তৈয়বুর রহমান জানান, তার ভাই কোনো মামলার আসামি নন। তিনি রাজনীতি করলেও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। থানায় নেওয়ার পর তিনি ভীত হয়ে পালিয়ে যান। পরে পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় আত্মসমর্পণ করানোর, আর সে অনুযায়ী তিনি থানায় ফেরত যান। তবে পুলিশ বলছে, তাকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পরিবারকেও টানলেন থানা কাহিনিতে

নাসির উদ্দিনের বড় ভাই নবাব আলী—যিনি স্থানীয় মাদরাসা কমিটির সভাপতি—তাকেও ওই সময় থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুরো ঘটনায় থানা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, ওসি হারুন অর রশিদকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে বলে মৌখিকভাবে শুনেছেন, তবে এখনও কোনো লিখিত নির্দেশ পাননি।

ওসি হারুন অর রশিদ নিজেই একাধিক গণমাধ্যমকে বলেন, “আসামি ধরাকে কেন্দ্র করে আমাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতেই আমি পুলিশ লাইনসে যোগ দেবো।”

উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বক্তব্য

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেল) ইমরুল হাসান জানান, তিনি স্টেশনের বাইরে আছেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাতে পারবেন।

ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ নেতা পালানোর ঘটনায় ওসি স্ট্যান্ড রিলিজ

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানা থেকে আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দিন পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। সোমবার (১২ মে) রাতে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

আটক থেকে পালানো, তারপর ফের গ্রেপ্তার

এর আগে দুপুরে নাসির উদ্দিনকে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাকাইল সড়কে তার নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি কৌশলে থানা থেকে পালিয়ে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গোপালগঞ্জ থেকে আবার ধরে আনে।

আত্মসমর্পণ না গ্রেপ্তার? দুইপক্ষের ভিন্ন দাবি

নাসির উদ্দিনের ছোট ভাই তৈয়বুর রহমান জানান, তার ভাই কোনো মামলার আসামি নন। তিনি রাজনীতি করলেও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। থানায় নেওয়ার পর তিনি ভীত হয়ে পালিয়ে যান। পরে পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় আত্মসমর্পণ করানোর, আর সে অনুযায়ী তিনি থানায় ফেরত যান। তবে পুলিশ বলছে, তাকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পরিবারকেও টানলেন থানা কাহিনিতে

নাসির উদ্দিনের বড় ভাই নবাব আলী—যিনি স্থানীয় মাদরাসা কমিটির সভাপতি—তাকেও ওই সময় থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুরো ঘটনায় থানা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, ওসি হারুন অর রশিদকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে বলে মৌখিকভাবে শুনেছেন, তবে এখনও কোনো লিখিত নির্দেশ পাননি।

ওসি হারুন অর রশিদ নিজেই একাধিক গণমাধ্যমকে বলেন, “আসামি ধরাকে কেন্দ্র করে আমাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতেই আমি পুলিশ লাইনসে যোগ দেবো।”

উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বক্তব্য

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেল) ইমরুল হাসান জানান, তিনি স্টেশনের বাইরে আছেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাতে পারবেন।