ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ৬ জন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • / 490

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৯ জুন, ২০২৫) সকালে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এই সংঘর্ষে অন্তত ৫টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ৬ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সংঘাতের সূত্রপাত হয় শনিবার রাতে। মেহেরদিয়া গ্রামের জিলু মোল্যাকে মারধর করেন সালাউদ্দিন কাজীর সমর্থকরা। এর প্রতিশোধ নিতে বিনোকদিয়া বাজারে নুর ইসলাম মুন্সীর ছেলে মামুন ও রিপন মিলে সালাউদ্দিন কাজীর ভাই জালাল কাজী ও তার ছেলে শাহীন কাজীকে মারধর করেন।

সংঘর্ষের বিস্তার ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ

শনিবার রাতের এই মারামারিকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালে নুর ইসলাম মুন্সীর সমর্থক এবং সালাউদ্দিন কাজীর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষকারীরা এ সময় কমপক্ষে ৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে।

দুই দিনের এই সহিংসতায় জিলু মোল্যা, জালাল কাজী, পান্নু মোল্যা, মিনারা বেগমসহ মোট ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশের হস্তক্ষেপ ও বর্তমান পরিস্থিতি

খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান জানান, “মেহেরদিয়া গ্রামের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। পরিবেশ শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ৬ জন

আপডেট সময় : ০৮:০২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৯ জুন, ২০২৫) সকালে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মেহেরদিয়া গ্রামে এই সংঘর্ষে অন্তত ৫টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ৬ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সংঘাতের সূত্রপাত হয় শনিবার রাতে। মেহেরদিয়া গ্রামের জিলু মোল্যাকে মারধর করেন সালাউদ্দিন কাজীর সমর্থকরা। এর প্রতিশোধ নিতে বিনোকদিয়া বাজারে নুর ইসলাম মুন্সীর ছেলে মামুন ও রিপন মিলে সালাউদ্দিন কাজীর ভাই জালাল কাজী ও তার ছেলে শাহীন কাজীকে মারধর করেন।

সংঘর্ষের বিস্তার ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ

শনিবার রাতের এই মারামারিকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালে নুর ইসলাম মুন্সীর সমর্থক এবং সালাউদ্দিন কাজীর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষকারীরা এ সময় কমপক্ষে ৫টি বসতঘর ভাঙচুর করে।

দুই দিনের এই সহিংসতায় জিলু মোল্যা, জালাল কাজী, পান্নু মোল্যা, মিনারা বেগমসহ মোট ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশের হস্তক্ষেপ ও বর্তমান পরিস্থিতি

খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান জানান, “মেহেরদিয়া গ্রামের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। পরিবেশ শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।