ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় সন্দেহভাজন ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / 177

ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাজারের হরি মন্দির ও কালি মন্দিরে নির্মিতব্য প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে সঞ্জিত বিশ্বাস (৪৫) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুর জেলা পুলিশের দেয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতারের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া সঞ্জিত বিশ্বাস ভারতের নদীয়ার নিশি কান্ত বিশ্বাসের ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাজারস্থ হরি মন্দির ও কালি মন্দিরে নির্মিতব্য প্রতিমাকে বা কারা ভাঙচুর করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার মো: আব্দুল জলিল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় দেখেন হরি মন্দিরের কার্তিক ঠাকুরের হাতের আঙুল, ময়ূরের গলা মোঁচড়ানো, ঘোড়ার কান ও আঙুল, অসুরের হাতের আঙুল এবং কালি মন্দিরের গণেশের হাতের আঙুল ও শুঁড় ভাঙা হয়েছে। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীর নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় সন্দেহভাজন ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাজারের হরি মন্দির ও কালি মন্দিরে নির্মিতব্য প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে সঞ্জিত বিশ্বাস (৪৫) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুর জেলা পুলিশের দেয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতারের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া সঞ্জিত বিশ্বাস ভারতের নদীয়ার নিশি কান্ত বিশ্বাসের ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাজারস্থ হরি মন্দির ও কালি মন্দিরে নির্মিতব্য প্রতিমাকে বা কারা ভাঙচুর করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার মো: আব্দুল জলিল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় দেখেন হরি মন্দিরের কার্তিক ঠাকুরের হাতের আঙুল, ময়ূরের গলা মোঁচড়ানো, ঘোড়ার কান ও আঙুল, অসুরের হাতের আঙুল এবং কালি মন্দিরের গণেশের হাতের আঙুল ও শুঁড় ভাঙা হয়েছে। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীর নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।