ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে শিশু বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:২৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 537

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় মসজিদের এক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ইমামের নাম মাওলানা আলী হোসেন (৫৮)। তিনি উপজেলার ছাগলদী দক্ষিণপাড়া দরগাভিটা জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

যেভাবে ঘটনাটি ঘটল

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে মসজিদের পাশে আসা এক মাদরাসা শিশু শিক্ষার্থীকে মাওলানা আলী হোসেন জোর করে তার শয়নকক্ষে নিয়ে যান। ভেতরে শিশুটিকে বলাৎকারের চেষ্টা করলে শিশুটি চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং শিশুটিকে উদ্ধার করেন।

ভুক্তভোগী শিশু জানায়, ইমাম হুজুর তাকে ঘরে ডেকে নিয়ে খাটের ওপর শুইয়ে তার জামা-কাপড় খুলে ফেলেছিলেন। এরপর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ইমাম তাকে ৮ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

পুলিশের তৎপরতা ও মামলা দায়ের

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ইমামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অভিযুক্ত ইমামকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাওলানা আলী হোসেনের এমন ঘৃণ্য অপরাধের ঘটনায় স্থানীয় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।

ফরিদপুরে শিশু বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১০:২৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় মসজিদের এক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ইমামের নাম মাওলানা আলী হোসেন (৫৮)। তিনি উপজেলার ছাগলদী দক্ষিণপাড়া দরগাভিটা জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

যেভাবে ঘটনাটি ঘটল

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে মসজিদের পাশে আসা এক মাদরাসা শিশু শিক্ষার্থীকে মাওলানা আলী হোসেন জোর করে তার শয়নকক্ষে নিয়ে যান। ভেতরে শিশুটিকে বলাৎকারের চেষ্টা করলে শিশুটি চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং শিশুটিকে উদ্ধার করেন।

ভুক্তভোগী শিশু জানায়, ইমাম হুজুর তাকে ঘরে ডেকে নিয়ে খাটের ওপর শুইয়ে তার জামা-কাপড় খুলে ফেলেছিলেন। এরপর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ইমাম তাকে ৮ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

পুলিশের তৎপরতা ও মামলা দায়ের

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ইমামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অভিযুক্ত ইমামকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাওলানা আলী হোসেনের এমন ঘৃণ্য অপরাধের ঘটনায় স্থানীয় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।